কঙ্গনার ঝুলিতে ৪ টি জাতীয় পুরষ্কার!

কঙ্গনার ঝুলিতে ৪ টি জাতীয় পুরষ্কার!
কঙ্গনা রানাউত
২০০৮ সালে সর্বপ্রথম কঙ্গনা জাতীয় পুরষ্কার লাভ করেন। সেবার অবশ্য সেরা অভিনেত্রীর বিভাগে নয়, হয়েছিলেন শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী। 'ফ্যাশন' চলচ্চিত্রের জন্য পেয়েছিলেন এই প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।  এরপর ২০১৪ সালে কুইন চলচ্চিত্রের জন্য এবং ২০১৮ সালে তনু ওয়েডস মনু চলচ্চিত্রের জন্য সেরা অভিনেত্রী বিভাগে পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। 

বলিউডের আলোচনা-সমালোচনা সবকিছুর কেন্দ্রীয় চরিত্রে দেখা যায় কঙ্গনা রানাউতকে। যেন কঙ্গনা মানেই ঝড়, কঙ্গনা মানেই বিতর্ক। বলিউডের তাবর তাবর পরিচালক,প্রযোজক, অভিনেতা-অভিনেত্রীদের টেক্কা দেয়ার ক্ষমতা রাখে এই অভিনেত্রী।  তবে তাকে কখনো দামিয়ে রাখতে পারেনি কেউ৷ রিল লাইফ থেকে রিয়েল লাইফ সর্বত্রই সেরা তিনি। এতো সব বিতর্কের ভীরেও  তার ঝুলিতে রয়েছে চার চারটি জাতীয় পুরষ্কার।

 

 

২০০৮ সালে সর্বপ্রথম কঙ্গনা জাতীয় পুরষ্কার লাভ করেন। সেবার অবশ্য সেরা অভিনেত্রীর বিভাগে নয়, হয়েছিলেন শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী। 'ফ্যাশন' চলচ্চিত্রের জন্য পেয়েছিলেন এই প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।  এরপর ২০১৪ সালে কুইন চলচ্চিত্রের জন্য এবং ২০১৮ সালে তনু ওয়েডস মনু চলচ্চিত্রের জন্য সেরা অভিনেত্রী বিভাগে পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। 

 

 

সর্বশেষ চলতি বছর ‘মণিকর্ণিকা’ ও ‘পঙ্গা’ ছবির জন্যই কঙ্গনা পেলেন সেরা অভিনেত্রীর এই সম্মান৷ জাতীয় পুরস্কার পাওয়ার পর কঙ্গনা টুইটারে একটি ভিডিয়ো আপলোড করে বলেছিলেন, ‘এই পুরস্কার শুধুই আমার নয়৷ মণিকর্ণিকা ও পাঙ্গার গোটা টিমের জন্য৷ সবাই দারুণ কাজ করেছে বলেই এই সাফল্য এসেছে৷ সবাইকে শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ৷’পাশাপাশি নিজের পরিবার এবং দিদি রাঙ্গোলী চান্ডেলের কথাও মনে রিয়ে দিয়েছেন কঙ্গনা।

 

 

বলিউডপাড়ায় একের পর এক তর্কবিতর্কের সাথে নাম জড়িয়ে আছে কঙ্গনার।  আর নেপোটিজমের বিপক্ষে  দীর্ঘ সময় ধরেই  লড়াই চালাচ্ছেন তিনি।  তবে ইন্ডাস্ট্রির একটি বিশাল অংশের বিপক্ষে লড়াইয়ে কতদূর এগোতে পারবে কঙ্গনা?  এ প্রশ্নের উত্তর সবারই অজানা। কিন্তু পর্দার ঝাসি কি রানির চরিত্রের মতোই দূর্দান্ত ও কঠোরভাবে নারীর ক্ষমতায়নের বিশেষ রূপ তুলে ধরছেন কঙ্গনা।  এতো বিতর্কের মধ্যেও ৪ টি জাতীয় পুরষ্কার প্রাপ্তি বোধ হয় তারই প্রমাণ।