১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | মঙ্গলবারবাংলা: ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩
বিবিধ

দুর্গাপূজার ছুটি পাবেন না যারা

image-368407

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২০২৬ সালে সরকারি ছুটি শুরু হবে ২০ অক্টোবর, মঙ্গলবার। এদিন মহানবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে। পরদিন ২১ অক্টোবর, বুধবার বিজয়া দশমী উপলক্ষে থাকবে সাধারণ ছুটি। ফলে সরকারি ছুটির হিসাবে দুর্গাপূজায় মোট দুই দিন ছুটি পাওয়া যাবে।

তবে এই ছুটি সবার জন্য প্রযোজ্য নয়। জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় সেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনেককেই ছুটির দিনেও দায়িত্ব পালন করতে হবে। হাসপাতাল, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সরবরাহের মতো জরুরি সেবাগুলো স্বাভাবিকভাবেই চালু থাকবে। এসব প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মীকে ছুটির দিনেও দায়িত্বে থাকতে হতে পারে।

সরকারি ছুটির দিনেও সংবাদমাধ্যমের কার্যক্রম বন্ধ থাকে না। ফলে টেলিভিশন, সংবাদপত্র, অনলাইন সংবাদমাধ্যমসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিক ও কর্মীদের একটি অংশকে সেদিনও দায়িত্ব পালন করতে হবে।

দুর্গাপূজার সরকারি ছুটিতে সাধারণত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজন হলে নির্দিষ্ট কিছু শাখা বা সেবা চালু রাখা হতে পারে। এটিএম, কার্ড ও অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মতো ডিজিটাল সেবাগুলো সাধারণত চালু থাকে।

বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিল্পকারখানা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সরকারি ছুটির একই নিয়ম সবসময় প্রযোজ্য নাও হতে পারে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কর্মীদের ছুটি দেওয়া বা ছুটির দিনেও দায়িত্বে রাখা হতে পারে। তাই এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের ছুটির নোটিশ অনুসরণ করতে হবে।

স্কুল-কলেজে দুর্গাপূজার ছুটি শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেদের একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ছুটি ঘোষণা করতে পারে। ফলে সরকারি ছুটির দুই দিন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একইভাবে কার্যকর হবে—এমনটি নয়।

Advertisements

এদিকে হিন্দু ধর্মাবলম্বী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য মূল সরকারি ছুটির বাইরে আরও দুই দিনের ঐচ্ছিক ছুটির ব্যবস্থা রয়েছে। ১৮ অক্টোবর, রোববার মহাসপ্তমী এবং ১৯ অক্টোবর, সোমবার মহাষ্টমী উপলক্ষে তারা এই ঐচ্ছিক ছুটি নিতে পারবেন।

তাই দুর্গাপূজায় কোথায় কতদিন ছুটি থাকবে, তা নিশ্চিত হতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত ছুটির নোটিশ অনুসরণ করাই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য।

Advertisements