১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | শনিবারবাংলা: ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩
জীবনযাপন

ভালো ঘুমের জন্য মানতে হবে যে ৩টি বিষয়

IMG_4765

ঘুমের অভাবে শরীর ও মনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। টানা দুই-তিন রাত ঠিকমতো ঘুম না হলে কাজে মনোযোগ কমে যায়, সারাদিন ক্লান্তি ও ঝিমুনি অনুভূত হতে পারে। পর্যাপ্ত বিশ্রাম না পাওয়ায় চা-কফির মতো ক্যাফেইন গ্রহণ করেও অনেক সময় সতেজতা ফেরানো সম্ভব হয় না। কর্মক্ষমতা ধরে রাখতে তাই প্রয়োজন নিয়মিত ও পর্যাপ্ত ঘুম।

ভালো ঘুমের জন্য জীবনযাপনে কিছু পরিবর্তন আনা জরুরি। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, রাতে ঘুম ভালো করার ক্ষেত্রে তিনটি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন

ভালো ঘুমের জন্য স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন গুরুত্বপূর্ণ। অনিয়মিত খাবার গ্রহণ, রাত জেগে দীর্ঘ সময় স্ক্রিন দেখা, পর্যাপ্ত পানি না খাওয়া এবং ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা ও ঘুমের পরিবেশের প্রতি অবহেলা ঘুমের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই নিয়মিত খাবার, পর্যাপ্ত পানি পান, পরিচ্ছন্নতা এবং আরামদায়ক ঘুমের পরিবেশ নিশ্চিত করার দিকে নজর দিতে হবে।

দিন-রাতের ভারসাম্য বজায় রাখা

মানুষের শরীরের সার্কাডিয়ান রিদম বা জৈবিক ঘড়ি দিন-রাতের স্বাভাবিক চক্রের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কাজ করে। কিন্তু নিয়মিত গভীর রাত পর্যন্ত জেগে থাকা এবং দিনের বড় একটি অংশ ঘুমিয়ে কাটালে এই স্বাভাবিক ছন্দ ব্যাহত হতে পারে। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে রাত জেগে থাকার প্রবণতা বাড়লেও দীর্ঘদিন এমন অভ্যাস শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই সম্ভব হলে রাতে ঘুমানো এবং দিনে সক্রিয় থাকার অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।

বয়স অনুযায়ী নিজের যত্ন নেওয়া

বয়সের সঙ্গে মানুষের ঘুমের প্রয়োজন ও ধরন পরিবর্তিত হয়। শিশুদের ঘুমের প্রয়োজন তুলনামূলক বেশি হলেও বয়স বাড়ার সঙ্গে তা ধীরে ধীরে কমে আসে। তবে প্রাপ্তবয়স্কদের ঘুমের সমস্যা শুধু বয়সের কারণে নয়, বিভিন্ন শারীরিক ও জীবনযাপনজনিত কারণেও হতে পারে। তাই বয়স বাড়ার সঙ্গে নিজের শরীর ও ঘুমের অভ্যাসের প্রতি আরও যত্নশীল হওয়া প্রয়োজন।

নিয়মিত ঘুমের সময় মেনে চলা, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং নিজের শারীরিক ও মানসিক অবস্থার প্রতি যত্নশীল হওয়া—এই অভ্যাসগুলো ভালো ঘুম নিশ্চিত করতে সহায়তা করতে পারে।

Advertisements