বাংলাদেশের অন্যতম নারী বিষয়ক ম্যাগাজিনবুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬
বিনোদন

স্যুটকেসে মিলল জনপ্রিয় মডেলের মরদেহ

স্যুটকেসে মিলল জনপ্রিয় মডেলের মরদেহ

কলম্বিয়ার রাজধানী বোগোতার একটি বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট থেকে জনপ্রিয় মডেল ও সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার নাটালিয়া ভিয়ালবার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বাথরুমে রাখা একটি ট্রাভেল স্যুটকেসের ভেতর থেকে তার লাশ উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় ম্যাথিউ অ্যাশলে ফস্টার স্মিথ নামে এক ব্রিটিশ নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, ফ্ল্যাট পরিষ্কার করতে গিয়ে এক পরিচ্ছন্নতাকর্মী বাথরুমে রাখা একটি ট্রাভেল স্যুটকেসের ভেতর নাতালিয়ার লাশ দেখতে পান। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে এবং হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শুরু করে।

তদন্তে ম্যাথিউ অ্যাশলে ফস্টার স্মিথকে প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে শনাক্ত করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, হত্যার পর তিনি ভুয়া পরিচয় ও জাল পাসপোর্ট ব্যবহার করে কলম্বিয়া থেকে ইকুয়েডরে পালিয়ে যান। পরে কলম্বিয়া, ইকুয়েডর এবং যুক্তরাজ্যের ডরসেট পুলিশের যৌথ অভিযানে ইন্টারপোলের রেড নোটিশের ভিত্তিতে গত ২৬ জুন কিতো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

কলম্বিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের দাবি, নাটালিয়া ফ্ল্যাটে একা থাকার সুযোগে অভিযুক্ত সেখানে প্রবেশ করে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে হত্যার প্রমাণ গোপন করতে লাশ একটি স্যুটকেসে ভরে বাথরুমে লুকিয়ে রাখা হয়।

Advertisements

তদন্তে উদ্ধার হওয়া সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, সন্দেহভাজন ব্যক্তি ফ্ল্যাট থেকে বিছানার চাদরসহ কয়েকটি সামগ্রী সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। তদন্তকারীদের ধারণা, আলামত নষ্ট করার উদ্দেশ্যেই এসব সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত ৩ জুন থেকে ওই ফ্ল্যাটে অবস্থান করছিলেন নাটালিয়া। ২১ জুনের মধ্যে তার অ্যাপার্টমেন্ট ছাড়ার কথা ছিল। কিন্তু পরদিন পরিচ্ছন্নতার সময় পরিচ্ছন্নতাকর্মী স্যুটকেসের ভেতর তার লাশ দেখতে পান।

গ্রেফতারের আগে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সান-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ম্যাথিউ দাবি করেন, ঘটনার সময় তিনি একটি আইরিশ বারে ইংল্যান্ড-ক্রোয়েশিয়া ফুটবল ম্যাচ দেখছিলেন। পরে একটি শপিং সেন্টারে গিয়ে আইসক্রিম খেয়ে আবার বারটিতে ফিরে খেলা দেখেন। হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেন।

তবে ব্রিটিশ পুলিশের তথ্য বলছে, ম্যাথিউ অ্যাশলে ফস্টার স্মিথের বিরুদ্ধে আগেও একাধিক অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। ২০২৩ সালে এক ব্যক্তিকে উত্যক্ত ও হয়রানির দায়ে তিনি দুই বছরের কারাদণ্ড ভোগ করেছিলেন।

Advertisements
কলম্বিয়ামডেলমরদেহ