মিমির জন্মদিনে নুসরাতের খোলা চিঠি

টলিউডের দুই পরিচিত মুখ মিমি চক্রবর্তী ও নুসরাত জাহান। অভিনয়ের জগত থেকে শুরু করে রাজনৈতিক অঙ্গন—দুই ক্ষেত্রেই তাদের পথচলা ছিল পাশাপাশি। সময়ের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক নিয়ে নানা জল্পনা তৈরি হলেও, বন্ধুত্ব যে এখনও অটুট, তা প্রমাণ করলেন নুসরাত নিজেই।
মিমির জন্মদিন উপলক্ষে স্মৃতিচারণায় ভেসে গেলেন নুসরাত। এক আবেগঘন বার্তায় তিনি ফিরলেন সেই শুরুর দিনে—‘যোদ্ধা’ ছবির শুটিং সেটে। এসভিএফ-এর অফিসে প্রথম দেখা, তারপর একসঙ্গে নাচের মহড়া। পনেরো দিনের আউটডোর শুটিং-ই যেন গড়ে দিয়েছিল তাদের গভীর বন্ধনের ভিত। সেই সময়েই একে অপরের সুখ-দুঃখ, গোপন কথা, না-বলা কষ্ট ভাগ করে নিতে শুরু করেছিলেন তারা।
নুসরাত স্মৃতিচারণ করেন থাইল্যান্ডের শুটিংয়ের দিনগুলো। শুটিংয়ের ফাঁকে ত্বকের যত্নে টমেটো ঘষা, কিংবা গভীর রাতে চুপিচুপি প্যানকেক খেতে বেরিয়ে পড়া—এই ছোট ছোট মুহূর্তগুলোই আজ তাদের বন্ধুত্বের মূল্যবান স্মৃতি। মিমির ক্যামোমাইল চায়ের প্রতি ভালোবাসার কথাও উঠে এসেছে তার লেখায়।
নুসরাতের ভাষায়, মিমি নিজ হাতে চা বানিয়ে খাওয়াতেন তাকে।
সময়ের সঙ্গে জীবন বদলেছে। দুজনেই এখন ব্যস্ত নিজ নিজ দায়িত্বে। নুসরাত মাতৃত্বে, মিমি সংসার ও পেশাগত কাজে। তবু বন্ধুত্বের জায়গাটা অটুট বলেই জানান নুসরাত।তার কথায়, ‘মান-অভিমান থাকতে পারে, দূরত্বও আসতে পারে, কিন্তু সত্যিকারের বন্ধুত্ব কখনও শেষ হয় না।’
রূপালি পর্দার পাশাপাশি রাজনৈতিক মঞ্চেও তারা একসঙ্গে কাজ করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদ সদস্য হিসেবে। নুসরাতের চোখে মিমি বাইরে থেকে যতটা সাহসী ও ‘ডেয়ার ডেভিল’, অন্তরে তিনি ততটাই সংবেদনশীল ও কোমল।



