Skip to content

২৯শে জুন, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ | বুধবার | ১৫ই আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

ব্রেন এজিং কেন হয়

এজিং শব্দটিকে আমরা যেভাবে ব্যবহার করি আদতে কি এজিং তা? আমাদের দেহের প্রতিটি অঙ্গের সম্পূর্ণ বিকাশ হওয়ার পর তা আস্তে আস্তে বার্ধক্যের দিকে এগিয়ে যাবে, এমনটাই তো স্বাভাবিক।

আমাদের মস্তিষ্ক সচরাচর ৪-৫ বছর বয়সেই পূর্ণতা পায়। এরপর আমাদের মস্তিষ্কের সুস্থতা নিশ্চিতের জন্যে কাজ করতে হয়। তবে বর্তমান সময়ে ব্রেন এজিং একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। অনেকের সময়ের আগেই ব্রেন এজিং হতে পারে।

ব্রেন এজিং কী

ব্রেন এজিং বলতে মস্তিষ্কের কোষ ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়া বোঝায় না। বরং এতে মস্তিষ্কের আয়তন কমতে থাকে। ব্রেন এজিংয়ের ফলে স্মৃতিশক্তি, বুদ্ধি ও কর্মক্ষমতা বাধাগ্রস্ত হয়।

ব্রেন এজিং কেন হয়

ব্রেন এজিং হওয়ার বেশ কিছু কারণ আছে। তারমধ্যে উল্লেখযোগ্য কারণগুলো হলো:

  • মস্তিষ্ককে সঠিকভাবে ব্যবহার না করলে সহজ করে বললে মাথা না খাটালে। মাত্রাতিরিক্ত ঘুম, অলসতা, খেলাধুলা বা কোনোকিছু চর্চার অভাবে ব্রেন এজিং হতে পারে।
  • মস্তিষ্কের রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া ব্যাহত হলে ব্রেন এজিং হতে পারে।
  • পরিবারের কারো সমস্যা বা হরমোনাল সমস্যার কারণে ব্রেন এজিং হতে পারে।

ব্রেন এজিং রোধে খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করুন

খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তনের মাধ্যমে ব্রেন এজিং প্রসেস থামানো বা কিছুটা রোধ করা সম্ভব। আমাদের মস্তিষ্ক আমাদের খাদ্যের ওপর নির্ভরশীল। ভিটামিন বি-১২, ভিটামিন-এ, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড সমৃদ্ধ খাবার বেশি খেলে আমাদের মস্তিষ্ক সুস্থ থাকে। মস্তিষ্ক সুস্থ রাখার ক্ষেত্রে দুটো জিনিস সবসময় মেনে চলবেন:

  • চিনি এড়িয়ে চলুন
  • লো-কার্ব ডায়েট মেনে চলুন

অনন্যা/এআই