৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | মঙ্গলবারবাংলা: ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
স্বাস্থ্য

মাতৃমৃত্যু হ্রাসে ‘সাফল্য’: বাংলাদেশকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অভিনন্দন

মাতৃমৃত্যু হ্রাসে ‘সাফল্য’: বাংলাদেশকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অভিনন্দন

জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) নির্ধারিত সময় ২০৩০ সালের আগেই মাতৃমৃত্যু হ্রাসে ‘সাফল্য’ অর্জন করায় সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) পূর্ব তিমুরের রাজধানী দিলিতে সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া আঞ্চলিক কমিটির ৭৯তম অধিবেশনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেনের হাতে এ অভিনন্দনপত্র তুলে দেন ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালক তেদ্রোস আধানম গেব্রিয়াসুস।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অভিনন্দন বার্তায় বাংলাদেশের এই অর্জন জনস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক বলেছে ডব্লিউএইচও। তাদের মতে, এ সাফল্যের পেছনে রয়েছে ‘সরকারের দৃঢ় নেতৃত্ব, কার্যকর স্বাস্থ্যনীতি, সুসংগঠিত প্রজনন ও মাতৃস্বাস্থ্য কর্মসূচি এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি’।

পাশাপাশি দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মীর মাধ্যমে প্রসবসেবা ও মিডওয়াইফারি সেবা নিশ্চিত করা, জনগণের অংশগ্রহণ এবং বিভিন্ন অংশীদারের সঙ্গে সহযোগিতাও এ সাফল্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

ডব্লিউএইচওর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া আঞ্চলিক কার্যালয় বলেছে, গত দশ বছর ধরে মাতৃ ও নবজাতক টিটেনাস নির্মূলের অবস্থান ধরে রাখার জন্যও বাংলাদেশ সরকারকে অভিনন্দন জানানো হচ্ছে। শক্তিশালী জাতীয় অঙ্গীকার, উচ্চমানের টিকাদান সেবা এবং দেশজুড়ে নিরাপদ প্রসবের চর্চা এ অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) ৩.১ অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক মাতৃমৃত্যুর হার প্রতি ১ লাখ জীবিত জন্মে ৭০ জনের নিচে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ সরকারের এসডিজি ট্র্যাকার ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে এই হার ছিল প্রতি লাখে ১৩৬। আর ২০২৫ সালে এই হার ১০০ তে নামিয়ে আনার লক্ষ্য ছিল, তবে তা পূরণ হয়েছে কি না, সেই তথ্য ট্র্যাকারে নেই।