গ্যাসের সংকট? বিকল্প যেসব উপায়ে সহজ হবে রান্না

দেশজুড়ে কয়েক দিন ধরেই তীব্র আকার ধারণ করেছে গ্যাস সংকট। রাজধানীর কলাবাগান, মোহাম্মদপুর, কাফরুল, কাজীপাড়া, পশ্চিম তেজতুরী বাজার, বাড্ডাসহ বিভিন্ন এলাকায় অনেক বাসাবাড়িতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা চুলা জ্বলছে না। কোথাও আবার গ্যাসের চাপ এতটাই কম যে স্বাভাবিকভাবে রান্না করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে যেসব পরিবারের কাছে এলপিজি সিলিন্ডারের ব্যবস্থা নেই, তারা পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে।

এমন পরিস্থিতিতে বিকল্প কিছু বৈদ্যুতিক রান্নার যন্ত্র ব্যবহার করে দৈনন্দিন রান্নার কাজ অনেকটাই সহজ করা সম্ভব।
রাইস কুকার:
শুধু ভাত রান্নাই নয়, রাইস কুকারে ডিম সেদ্ধ, নুডলস, স্যুপ, খিচুড়ি এমনকি মাছ ও সবজি ভাপানোও সম্ভব। প্রয়োজনীয় উপকরণ একসঙ্গে দিয়ে নির্দিষ্ট সময় অপেক্ষা করলেই সহজে রান্না সম্পন্ন হয়। অনেকেই এতে বিরিয়ানিও রান্না করেন।
ইন্ডাকশন চুলা গ্যাসের অন্যতম কার্যকর বিকল্প হতে পারে ইন্ডাকশন কুকার। এটি সরাসরি রান্নার পাত্রের তলায় তাপ সরবরাহ করায় খাবার দ্রুত সেদ্ধ হয় এবং রান্নার সময়ও কম লাগে। খোলা আগুন না থাকায় দুর্ঘটনার ঝুঁকিও তুলনামূলক কম। তবে ইন্ডাকশন ব্যবহারের জন্য ম্যাগনেটিক বা ধাতব তলাযুক্ত পাত্র ব্যবহার করতে হবে।
এয়ার ফ্রায়ার:
কম তেল বা তেল ছাড়াই বিভিন্ন খাবার রান্নার জন্য এয়ার ফ্রায়ার এখন বেশ জনপ্রিয়। এতে মাছ, মাংস, আলু, সবজি রোস্ট করার পাশাপাশি চিকেন রোস্ট, বিস্কুট বা পাউরুটিও তৈরি করা যায়। তেলের ব্যবহার কম হওয়ায় এটি স্বাস্থ্যসচেতনদের কাছেও ভালো বিকল্প।

মাইক্রোওয়েভ ওভেন:
বর্তমানের অনেক মাইক্রোওয়েভ ওভেনেই রান্নার সুবিধা রয়েছে। এতে দ্রুত খাবার গরম করার পাশাপাশি সবজি সেদ্ধ, ডিম পোচ কিংবা কিছু সহজ খাবারও তৈরি করা সম্ভব। গ্যাস না থাকলে প্রয়োজনীয় রান্নার কাজে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
তবে বৈদ্যুতিক যন্ত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। ব্যবহারের আগে বৈদ্যুতিক সংযোগ ঠিক আছে কি না, যন্ত্রটি সঠিকভাবে কাজ করছে কি না এবং ব্যবহার শেষে সময়মতো সুইচ বন্ধ করা হয়েছে কি না- এসব বিষয় নিশ্চিত করা জরুরি।



