বাংলাদেশের অন্যতম নারী বিষয়ক ম্যাগাজিনবুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬
জীবনযাপন

ভুল পদ্ধতিতে ব্রাশ করলে কী হয়?

IMG_2488

শুধু নিয়মিত দাঁত ব্রাশ করলেই হবে না, সেটি সঠিক পদ্ধতিতে করা আরও গুরুত্বপূর্ণ। ভুলভাবে ব্রাশ করলে দাঁতের ফাঁকে ক্যালকুলাস ও প্লাক জমে, মাড়িতে প্রদাহ হয় এবং মুখের নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

জোরে ব্রাশ করাই কি ভালো?

অনেকেই মনে করেন শক্ত ব্রিসলযুক্ত ব্রাশ দিয়ে জোরে জোরে দাঁত ঘষলে বেশি পরিষ্কার হয়। কিন্তু এতে মাড়িতে আঘাত লাগে, রক্তপাত হতে পারে এবং ধীরে ধীরে মাড়ি সরে গিয়ে দাঁতের শিকড় উন্মুক্ত হয়ে যায়।

অতিরিক্ত ব্রাশের ক্ষতি

Advertisements

দিনে বারবার ব্রাশ করা বা দীর্ঘদিন একই টুথব্রাশ ব্যবহার করাও দাঁতের জন্য ক্ষতিকর। এতে দাঁতের সুরক্ষামূলক আবরণ ক্ষয় হতে পারে, দাঁতে শিরশির অনুভূতি তৈরি হয় এবং পুরোনো ব্রাশ ঠিকমতো দাঁত পরিষ্কার করতে পারে না।

রাতের ব্রাশ কেন জরুরি?

অনেকেই সকালে ব্রাশ করলেও রাতে ঘুমানোর আগে ব্রাশ করেন না। এতে সারাদিনের খাবারের কণা দাঁতের ফাঁকে জমে প্লাক তৈরি করে। এর ফলে মুখে দুর্গন্ধ, ক্যাভিটি, মাড়ির রোগ এমনকি দাঁত নড়ে যাওয়ার ঝুঁকিও বাড়ে।

সঠিকভাবে ব্রাশ করার নিয়ম

নরম ব্রিসলযুক্ত ছোট মাথার টুথব্রাশ ব্যবহার করুন। দাঁত ও মাড়ির সংযোগস্থলে ব্রাশটি ৪৫ ডিগ্রি কোণে ধরে আলতোভাবে বৃত্তাকারভাবে ব্রাশ করুন। জোরে ঘষবেন না এবং অন্তত দুই মিনিট সময় নিয়ে সকালে নাশতার পর ও রাতে ঘুমানোর আগে ব্রাশ করুন।

টুথব্রাশ বদলানো ও পরিচ্ছন্নতা

প্রতি তিন মাস পরপর টুথব্রাশ বদলে ফেলা উচিত। পাশাপাশি নিয়মিত জিব পরিষ্কার রাখতে হবে এবং ব্রাশ পরিষ্কার ও শুকনো স্থানে সংরক্ষণ করতে হবে। ভাইরাল জ্বর বা অন্য সংক্রামক রোগ থেকে সুস্থ হওয়ার পর অবশ্যই নতুন টুথব্রাশ ব্যবহার করা উচিত, যাতে পুনরায় জীবাণুর সংক্রমণের ঝুঁকি না থাকে।

Advertisements
দাঁতযত্নস্বাস্থ্য