বাংলাদেশের অন্যতম নারী বিষয়ক ম্যাগাজিনশনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬
বিবিধ

কোথায় পাওয়া যাবে কম দামে খেলনা ও জার্সি?

WhatsApp Image 2026-06-13 at 7.36.02 PM

চকবাজার এখন দেশের সবচেয়ে বড় পাইকারি খেলনার বাজার হিসেবে পরিচিত। ১ নম্বর গলি, ফ্রেন্ডশিপ মার্কেট, মদিনা আশিক টাওয়ার এবং বিসমিল্লাহ টাওয়ার মিলিয়ে গড়ে উঠেছে এই বিশাল খেলনার হাব। এখান থেকে ঢাকার ভেতর ও বাইরের খুচরা বিক্রেতারা পাইকারি দামে খেলনা কিনে নিয়ে যান। একই সঙ্গে সাধারণ ক্রেতারাও তুলনামূলক কম দামে খেলনা কেনার সুযোগ পান।

চকবাজারে প্রবেশ করলেই চোখে পড়ে রঙিন নানা খেলনার দোকান। কাঠের লাটিম, বাঁশের বাঁশি, প্লাস্টিকের খেলনা গাড়ি, রিমোট কন্ট্রোল গাড়ি, পুতুল, বুদবুদ গেম, রুবিকস কিউব, গিটার, লুডু-দাবা, পাজল কার্ডসহ ছোট-বড় নানা ধরনের খেলনা এখানে পাওয়া যায়। শিশুদের জন্য কার্টুন চরিত্রের খেলনা থেকে শুরু করে প্রাণীর আকৃতির পুতুল, ট্রাক, বাস, মোটরসাইকেল, হেলিকপ্টারসহ বিভিন্ন ধরনের প্লাস্টিক ও কাপড়ের খেলনার বিশাল সংগ্রহ রয়েছে।

দাম তুলনামূলকভাবে পাইকারি হিসেবে অনেক কম। যেমন কাঠের লাটিম ৪ টাকা থেকে শুরু, বাঁশের বাঁশি ৬ টাকা থেকে, খেলনা পিস্তল ২৭ টাকা থেকে পাওয়া যায়। রিমোট কন্ট্রোল গাড়ির দাম ৪৫০ টাকা থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত। ট্রাক ৭৫ টাকা থেকে, বাস ৬৫ টাকা থেকে, হেলিকপ্টার ১৭৫ টাকা থেকে পাওয়া যায়। ফুটবল ডজন হিসেবে ২৯০ টাকা থেকে শুরু।

অনেক পণ্য ডজন বা প্যাকেজ আকারে বিক্রি করা হয়। তবে কিছু দোকানে খুচরা বিক্রির সুযোগও রয়েছে, যেখানে দাম কিছুটা বেশি হতে পারে।

চকবাজারে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতা-বিক্রেতার ব্যস্ততা থাকে। কেউ দরদাম করছেন, কেউ আবার অনলাইনে ভিডিও কলে পণ্য দেখিয়ে কিনছেন। দুপুরের পর ভিড় আরও বেড়ে যায়, তাই সকাল বেলাই কেনাকাটার জন্য সবচেয়ে ভালো সময়।

বিশ্বকাপ বা বিভিন্ন মৌসুমকে কেন্দ্র করে এখানে পতাকা, ব্যাজ, স্টিকার, রিস্টব্যান্ডসহ নানা ধরনের মৌসুমি পণ্যও পাওয়া যায়। এ সময় তরুণ ক্রেতাদের উপস্থিতি বেশি দেখা যায়।

চকবাজার মূলত পাইকারি বাজার হওয়ায় বাসে সরাসরি যাওয়া যায় না। বকশীবাজার বা বাবুবাজার ব্রিজে নেমে রিকশায় সহজেই সেখানে পৌঁছানো যায়। বাজার সাধারণত সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকে, তবে শুক্রবার বন্ধ থাকে।

তথ্যসূত্রঃ প্রথম আলো

খেলনাচকবাজারজার্সিবাজারবিশ্বকাপ