কন্যাসন্তানের জন্মে অভিনন্দন, একই সাথে ১৬৮ শিশুহ/ত্যা/র অভিযোগ
ওয়াশিংটন, ১০ মে- সম্প্রতি কন্যাসন্তানের জন্ম দিয়েছেন হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লেভিট । নতুন মা হিসেবে তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছে ইরান। তব...

ওয়াশিংটন, ১০ মে- সম্প্রতি কন্যাসন্তানের জন্ম দিয়েছেন হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লেভিট । নতুন মা হিসেবে তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছে ইরান। তবে শুভেচ্ছাবার্তার পাশাপাশি ইরান স্মরণ করিয়ে দিয়েছে মিনাবের একটি স্কুলে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত শিশুদের কথাও।
গত বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে লেভিট জানান, ১ মে তাঁর দ্বিতীয় সন্তান জন্ম নিয়েছে। নবজাতকের নাম রাখা হয়েছে ভিভিয়ান, ডাকনাম ‘ভিভি’। পোস্টে তিনি লেখেন, পরিবারের নতুন সদস্য আসায় তাঁদের হৃদয় ভালোবাসায় পূর্ণ হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে তিনি জানান, শিশুটি সুস্থ আছে এবং পরিবারের সবাই তাকে ঘিরে আনন্দময় সময় কাটাচ্ছেন।
হোয়াইট হাউসের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী প্রেস সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ২৮ বছর বয়সী লেভিট পোস্টে একটি ছবিও শেয়ার করেন, যেখানে তাঁকে নবজাতক কন্যাকে বুকে জড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।

এদিকে আর্মেনিয়ায় ইরানের দূতাবাস লেভিটের পোস্টটি পুনরায় শেয়ার করে অভিনন্দন জানায়। তবে সেই বার্তায় মিনাবের স্কুলে নিহত শিশুদের প্রসঙ্গও তোলা হয়। দূতাবাসের পোস্টে বলা হয়, “শিশুরা নিষ্পাপ এবং ভালোবাসার যোগ্য। মিনাবের স্কুলে আপনার বস যে ১৬৮ শিশুকে হত্যা করেছেন এবং আপনি যেটি সমর্থন করেছিলেন, তারাও শিশু ছিল। যখন আপনি আপনার শিশুকে চুমু দেবেন, তখন সেই শিশুদের মায়েদের কথাও ভাববেন।”
ইরানের দাবি অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দেশটির মিনাব শহরের শাজারেহ তায়িবা নামের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ১২০ শিক্ষার্থী নিহত হয়, যাদের মধ্যে ৭৩ জন ছেলে ও ৪৭ জন মেয়ে শিশু ছিল। হামলায় আরও নিহত হন ২৬ জন শিক্ষক, সাতজন অভিভাবক, একটি স্কুলবাসের চালক এবং পাশের একটি ক্লিনিকের এক ফার্মেসি টেকনিশিয়ান।
ঘটনাটি নিয়ে পরে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, একটি মার্কিন টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ভুলবশত বিদ্যালয়টিতে আঘাত হেনেছিল। প্রতিবেদনে মার্কিন সামরিক বাহিনীর প্রাথমিক তদন্তের বরাত দিয়ে বলা হয়, লক্ষ্য নির্ধারণে ভুলের কারণেই এই হামলা ঘটে।
তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুরুতে দাবি করেছিলেন, ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রই ওই স্কুলে আঘাত হেনেছিল। যদিও তিনি এ দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি। অন্যদিকে ইরান জানিয়েছে, তাদের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নেই।


