প্রজাপতির পাখায় রঙ

মহসিন এবং তার স্ত্রী দুজনার বাড়ি রাজশাহীতে। তারা ইউনিভার্সিটিতে পড়ার সময়, মাত্র ২৫ বছর
যখন দুজনার বয়স তখন তারা বিয়ে করে। চার বছর পরে তাদের চাকরি হয় এবং তাদের একমাত্র সন্তান
প্রজাপতির জন্ম।কখনো তাদের মধ্যে কোন তৃতীয় ব্যক্তির প্রবেশ করেনি। আজ শরতের আকাশটা খুব
নীল। শিউলির কিনে দেওয়া এবং যত্ন করে রাখা ধবধবে সাদা রঙের পায়জামা পাঞ্জাবি পরে মহসিন
রওনা হলো মার্কেটে । এ শহরের সে একা। মেয়ে তার মত করে পড়াশোনার ব্যস্ত। তার একাকিত্বের
সঙ্গী এখন থেকে সালমা । একটাবারের জন্য তার মনে কোন অনুতাপের সৃষ্টি হলো না।
সালমার বয়স কম হলেও আচরণটা বুড়িদের মত। মহসিনকে নিয়ে সে এ দোকান ও দোকান ঘুরে লাল রঙের
একটা শাড়ি কিনলো, শাড়ির দামটা দিতে গিয়ে মহসিন চমকে উঠলো ৩০ হাজার টাকা। ভদ্রতা করে মহসিন
শাড়ির দামটি দিলো। সালমা আহ্লাদী হয়ে পড়ছে। এভাবে শুরু হলো পরকীয়া প্রেমে পালা। সালমা ও
মহসিনের মধ্যে মানসিক চাহিদার থেকে অন্য চাহিদা বেশি। বিভিন্ন কালারফুল শাড়ি, নতুন নামিদামি
মেকআপ, বিভিন্ন ব্রান্ডের পারফিউম এগুলো তার ভীষণ প্রিয়। এক অজানা কারণবশত মহসিন ধীরে
ধীরে শিউলিকে সম্পূর্ণ ভুলে গেল। সালমা প্রতিদিন বুদ্ধি দিতে লাগলো তুমি মেয়েকে হলে পাঠিয়ে দাও,
আমি এসে তোমার সাথে থাকবো।
সেদিন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা হয়ে আসছে, সারাদিন ক্লাস শেষে কম্পিউটার বিজ্ঞানের ছাত্রী প্রজাপতি
যেন পাখায় ভর করে বাসায় ফিরল। অনেকক্ষণ ধরে কলিং বেল বাজানোর পর মহসিন দরজা খুলে খুব
বিরক্ত হয়ে বলল,
- মামনি এখন থেকে তুমি হলে থাকো। সন্ধ্যার পরে এভাবে বাড়ি ফেরা নিরাপদ নয়!
- এতদিন তো আমি হলেই থাকতে চেয়েছি, তুমি আর মা তো আমাকে যেতে দাওনি।
- ঠিক আছে, তোমার মাকে বুঝিয়ে আমি রাজি করবো। রবিবার থেকে তুমি হলে থাকবে।
- ঠিক আছে বাবা। খুব খিদে পেয়েছে বাবা। খেতে দাও।
- দেখো মা, তুমিও যেমন ফিরেছো কোথা থেকে আমিও তেমনি অফিস থেকে ফিরেছি। দুজনে ক্লান্ত
আর আজকে বুয়া আসেনি, রান্না হয়নি ।তুমি বাইরে থেকে খাবার নিয়ে খাও, আমি টাকা দিচ্ছি।
প্রজাপতি চমকে উঠলো, বাবার গলায় এরকম রুক্ষ কথা কোনদিন সে শোনেনি । বাবা বদলে যাচ্ছে,
কারণটা কি! সেদিন সে গিয়েছিল বাবার বাথরুম থেকে তার জামা কাপড় তুলে আনতে সেখানে একটি
মেয়েদের অন্তর্বাস সে দেখতে পায়। প্রজাপতি বুদ্ধিমতী সে তার মা এবং বাবার মধ্যে সালমা আন্টি যে
প্রবেশ করেছে সেটি স্পষ্ট টের পাচ্ছে কিন্তু কোন শব্দ করার ইচ্ছে তার নেই। সে চায় যাই হোক না কেন
তারপরও যেন দুজন মিলে মিশে থাকে। বাবা মায়ের আলাদা হয়ে যাওয়া সে মেনে নিতে পারবে না। আজ
রবিবার প্রজাপতি আজ বাসায় ফিরবে না, কারণ তার বাবা চায় না সে বাসায় ফিরে যায়। প্রজাপতি ক্লাস
শেষ করে অন্ধকারে ডিপার্টমেন্টের সামনে উঁচু একটা জায়গায় বসে রইল। মারুফ তাদের শিক্ষক হিসেবে
যোগদান করেছে দুই বছর। ক্লাস শেষে সে ইউনিভার্সিটির বাসে ঢাকায় ফেরার জন্য বের হয়েছে। তার
একটু আবাক লাগলো প্রজাপতিকে দেখে কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করল,
- কি হয়েছে তোমার ? অন্ধকারে এভাবে বসে আছো কেন?
- কিছু না স্যার, এমনি!
এতক্ষণ ধরে যে মেয়েটি কেঁদেছে। সেটি তার কাছে স্পষ্ট। মেয়েটি জানে না অনেক দিন ধরে তার শিক্ষক
তাকে পছন্দ করে। বাইরের বাসে তারা দুজন প্রায় প্রতিদিনই একসাথে ভার্সিটিতে আসে। সে তার পাশের
সিটের টিকিটটি সবসময় বাড়তি কিনে রাখে। অনেকদিন সে প্রজাপতি কে বলেছে তুমি আমার পাশে বসো
কিন্তু প্রজাপতি অবুঝ। সে সবসময়ই বিষয়টি রিফিউজ করে যায়। মারুফের মনে হচ্ছে আজ এই
অন্ধকারে দেখা হওয়ার বিষয়টি ভাগ্য নির্দিষ্ট করে দিয়েছে। কতদিন মেইন গেটে নেমে, মারুক
প্রজাপতি কে বলেছে চলো ডিপার্টমেন্ট একসাথে যাই, বাড়তি রিকশা ভাড়া গোনার কি দরকার! প্রজাপতি
হেঁসে ভদ্রভাবে বলেছে,’না স্যার, আমার একটু গেটে ফটোকপির কাজ আছে।’ - শোনো মেয়ে এভাবে অন্ধকারে বসে থেকো না এখানে সাপের উপদ্রব আছে।
- স্যার আপনি চলে যান।
- তোমাকে রেখে আমি যাব না।
মানুষের কথার মধ্যে এতটাই দৃঢ়তা ছিল মেয়েটি একটু হকচকিয়ে গেল। সন্ধ্যার অন্ধকারে একটা আবেশ
থাকে।
এই আবেশ কে বলা হয় প্রেমে পড়ার উপযুক্ত সময়। সেই মিষ্ট অন্ধকারে তারা দুজন পাশাপাশি হাঁটতে
লাগল। একদিকে তেমন মহসিন আর শিউলির সংসারে ভাঙ্গনের সুর অন্যদিকে তাদের ঊনিশ বছরের
কন্যার জীবনে প্রেমের সানাই বেজে উঠলো। - কি হয়েছে বলবেনা?
হঠাৎ করে কিছু না ভেবেই মেয়েটা গাছের গুড়ির উপরে বসে পড়ল। হাত দুটো মুখের উপরে নিয়ে সে
ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগলো । মারুফের মনে হল দীর্ঘদিন এ কান্না তার মনে জমেছিল। প্রফেসর সাহেব
কন্যাটির মাথায় হাত রাখল। বিশ্ব চরাচর অন্ধকারে ভেসে যাচ্ছে। পৃথিবীর কোথাও কোন প্রাণীর
অস্তিত্ব নেই। শুধু দুটো প্রেম তৃষ্ণার্ত প্রেমিক প্রেমিকা জেগে আছে এই পথের ধারে।
- কি হয়েছে বলো, আমি আছি তোমার সাথে।
কিছু না ভেবেই তার পাশে বসে পড়লো মারুফ। হয়তো হাতে ঘড়ি থাকলে দেখা যেত টানা তিরিশ মিনিট
একনাগারে মেয়েটি কেঁদে চলছে। হঠাৎ করে লক্ষী মেয়েটি জড়িয়ে ধরলো মারুফ কে। শার্টের পকেটটা
প্রেমিকার চোখের জলে ভিজে যায়। আধো আধো কথায় সে বুঝিয়ে দিল তার কষ্টের কারণ। - এমন করে অনেক কিছুই হয়।
এজন্য এত কাঁদতে নেই। তুমি কি জানো তোমাকে কতদিন ধরে আমি ভালোবাসি। আর তুমি আজকে যেভাবে
কাঁদছো ঠিক সেভাবে বাসায় গিয়ে কান্নাকাটি করি। বিস্ময়ের ঘোর যেন কাটছে না মেয়েটির মন থেকে। সে
আকুল হয়ে জিজ্ঞেস করল,’ তো এতদিন বলেননি কেন? - তুমি কেন বোঝনি? কত ভাবে বলার চেষ্টা করছি।
মেয়েটির কাছে আজ সন্ধ্যাটি যেমন যন্ত্রণার তেমন ভালো লাগার। - এখন থেকে তোমার সব যন্ত্রণা আমার। আমি শিক্ষক মানুষ প্রেম করতে পারবো না। তবে কবে বিয়ে
করবে বল, আজ যদি বল আজকেই বিয়ে করবো। - মা-বাবাকে বলতে হবে তো!
- তুমি এত অবুঝ এজন্যই এত ভালো লাগে। তোমার বাবার এ বিয়েতে কিছু যায় আসে না। তবে তোমার
মায়ের ফোন নাম্বারটা দাও । আমার মা ফোন করবে । তাড়াতাড়ি আমরা বিয়ে করে নেব। এরপর তোমার
বাবার সমস্যাটা আমরা সমাধান করবো। একটা সিরিয়াস কথা, - কি কথা,
- এই আর কি! যদি ভুল করে আর একবার জড়িয়ে ধরতে।
সেদিন সন্ধ্যায় প্রজাপতির জীবনে নতুন অধ্যায়ের শুরু হলো। সবার অগোচরে। মারুফ তাকে কিছু দোলন
চাপা ফুল তুলে দিলো রসায়ন বিভাগের সামনে থেকে, সঙ্গে দিল একটা চিঠি। হলে তার রুমে সে একাই ।
ঘরের মধ্যে ফুলের গন্ধে যেনো সব অন্ধকার সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। প্রেম যেন এক তীব্র অনুভূতি, একটা
কাঁটাওয়ালা বিছা পোকা কেও তখন মনে হয় রঙিন গোলাপ। এ কি হল তার জীবনে। সে খুব ধীরে ধীরে চিঠিটা
খুলল,মনে হচ্ছে অনেক অনেক দিন আগে এটি লেখা। তারিখ দেখে মেয়েটি অবাক প্রায় তিন মাস আগে
তার প্রফেসর তাকেই এই চিঠি লিখেছে।
প্রিয় রঙিনপ্রজাপতি,
তোমার জন্য ছোট্ট একটা কবিতা,
নন্দিনী আমি তোমার শরীরের আনাচ কানাচে খুঁজে,
বিষ পান করতে পারবো না,
ওর থেকে ভালো,
তুমি আমাকে মেরে ফেলো।
ক্ষতবিক্ষত করো।
নন্দিনী তুমি আমার মায়া,
আমার প্রকৃতি।
তোমায় স্নিগ্ধ আবেশে যেন, আমার মৃত্যু হয়।
পুনশ্চ:এই নন্দিনীটি হলো তুমি।
১৪ ই আষাঢ়, ১৪৩২
একদিক থেকে মায়ের কান্নার শব্দ অন্যদিকে নিজের উথাল পাথাল ভাব। মা ফোন করলো, ঠিক তার
প্রেমের জয়ধ্বনি যখন বেঁজে ছিল তার এক ঘণ্টার মাথায়। নানান কথা বলা শেষে মা হঠাৎ করে তার
মেয়েকে জিজ্ঞেস করলেন,
- তোমার বাবার কি মন খারাপ? আমাকে ছাড়া তিনি অনেক কষ্টে আছেন তাই না!
প্রেম মানুষকে মিথ্যে বলা শেখায় তা এক ঘন্টার প্রেম হোক বা বিশ বছরের প্রেমই হোক। - ঠিক বলেছ মা, বাবার তোমাকে ছাড়া খুব কষ্ট হয়, তিন দিন পরে আমরা পিকনিকে যাচ্ছি কক্সবাজার,
তুমি ওই সময় ঢাকায় এসে থাকো না বাবার কাছে। - দেখো না আমার ডিপার্টমেন্টে পরীক্ষা চলছে তবুও আমি আসবো তোর বাবাকে বলিস না সারপ্রাইজ
দিবো মানুষটা খুব খুশি হবে। - কবে আসবা।
- তুই এমন করে তোর বাবার কথা বলেছিস, দেখি কালকে পারলে কালকেই চলে আসব।
হয়তো বাবার বিবেকটা একদম শেষ হয়ে যায়নি তাই সে মেয়েকে ফোন করলেন।
- তুমি খেয়েছ কিছু মা।
- বাবা আমি খেয়েছি তুমি চিন্তা করো না, মা কালকে আসতে পারে ,সালমা আন্টিকে আবার বাসায় এনে
রেখো না । এখন তো সে বাসায় আছে । ওনাকে একটু বুঝিয়ে বলে দাও।
ফোনের ওপাশে বাবার সামান্য নাড়াচড়ার শব্দ পর্যন্ত নেই। মনে হচ্ছে মেয়ের কাছে ধরা পড়ে, সে স্তব্ধ
হয়ে আছে। - মা,তুমি কি করে জানো এসব ।
- বাবা আমি প্রথম থেকেই সব জানি, শেষ এক বছর তুমি কি করছ।
- তুমি আমাকে বাধা দাওনি কেন?
- এটা তোমার রুচি ও মনের বিষয়। আমি বাধা দিলে তুমি আরো বেশি আকর্ষণ বোধ করতে। যেদিন তুমি
বুঝতে পারবে সেদিন তুমি সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে। - মা আমি সবকিছু বুঝতে পেরেছি কিন্তু তার সঙ্গে আমার কিছু ছবি সে জোর করে তুলেছে, সেগুলো দিয়ে
সে আমাকে কিডন্যাপ করছে , অনেক টাকা চায়,আমি এখন কি করব! - তার সঙ্গে মিচুয়াল করে নাও। তোমার বন্ধু আছে পুলিশের বড় কর্মকর্তা , তার কাছে যাও। সালমা
আন্টিকে তুমি বলবা তোমার সব টাকা আমি দিয়ে দেব তুমি আসো, তখন ওখানে পুলিশ ডেকে তাকে বলবে,
সব ছবি যদি না দেওয়া হয় , তাহলে তার চাকরি চলে যাবে। - মামনি শিউলি যেন কোনোভাবেই বিষয়টি না জানে । সে যেনো তিন দিন পরে আসে । এর মধ্যে আমি সব
সামলে নেব । - ঠিক আছে বাবা
তিনটি বাদে প্রজাপতিদের ডিপার্টমেন্টের সবাই যাচ্ছে কক্সবাজারে। যে বাসে সে সেই বাসে উঠেছে
মারুফ। মারুফ একদম সামনের দিকে একা বসেছে।
সে ছোট্ট একটা মেসেজ পাঠালো
‘ডানায় ভর করে তুমি সামনে চলে এসো”
লজ্জায় এবং ভয়ে কাঁপতে লাগলো ছোট মেয়েটি। ভেবে পেল না কি করবে। রাত যখন ঠিক বারোটা, সে ধীরে
ধীরে উঠে বাসের ঠিক সামনে গিয়ে মারুফের পাশে বসলো।
মুহূর্তের মধ্যে সব রঙিন।
কক্সবাজারে তারা আশ্বিনের মাতাল করা হাওয়ায়, দুই দিন থাকলো। সকলের অগোচরে বারবার তারা
হারিয়ে গেল এখানে সেখানে। একটা তীব্রতা চার চোখের মিলনে। মহসিন ভয়াবহ অবস্থা থেকে উদ্ধার
পেল তার পুলিশ বন্ধুর মাধ্যমে। সালমা চাকরির ভয়ে কোন শব্দ করল না এবং সমস্ত ছবি ডিলিট করে
দিল। শিউলি তিনদিন পরে এলো, মহসিন তাকে দেখে হাউমাউ করে কাঁদতে লাগলো। সে কিছুই বুঝতে পারল
না ভাবল হয়তো তাকে দূরে রেখে কষ্ট হয়েছে এজন্য এভাবে কাঁদছে।
বলল ‘আমি আর তোমাকে ছাড়া একটা দিনও থাকবো না।’
কক্সবাজার থেকে ফিরে এসেই, মারুফ প্রজাপতিদের বাড়িতে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে এলো। মহসিন খুব
দ্রুত মেয়ের বিয়ে দিয়ে, অনেক কষ্টে নিজের বদলিটা করিয়ে রাজশাহী চলে গেল। জীবনে কিছু গোপন
থাকে যা বন্ধুকেও বলা যায় না । ঠিক তেমন করেই কোনদিনই শিউলিকে জানতে দেওয়া হলো না সালমার
বিষয়।
আমি চেয়েছিলাম আমার একটা গোপন কথা থাকুক,
সে কথা একটু একটু করে ডাল, লতা পাতা মেলে হয়ে উঠুক মহীরুহু,
সে কথাটি শুধু জানবো তুমি আর আমি,
গোপন কথাটি হতে পারে গোপনে হাত ধরা কিংবা চোখের পলক না ফেলে তাকিয়ে থাকা,
আর সে ভাবেই তোমার চোখে ডুবে যাওয়া।
আজ আমি সেই গোপন কথা খুঁজে পেয়েছি,
জানিনা গোপন কথাটি একটুখানি জলের ফোঁটা থেকে হতে পারে সমুদ্র,
সে গোপন কথা আগলে রেখো আমায় ভালবাসায়,
হে গোপন কথা দীর্ঘতর হও আমার বুকের মাঝে অন্য কোথাও যেও না।
মহসিন এর ছোট্ট একটি পড়ার টেবিল আছে। সেখানে বসে সে মাঝে মাঝে কবিতা লেখে, সেটি পরিষ্কার
করতে গিয়ে তার স্ত্রী তার ডায়েরীতে এই কবিতাটি দেখতে পেলো, যার আদ্যোপান্ত সে কিছুই বুঝতে
পারল না। রঙিন প্রজাপতি কে মারুফ খোলা মাঠে ছেড়ে দিলেও, রাখে চোখে চোখে। এভাবেই আরো রঙিন
আর বর্ণময় হচ্ছে তাদের জীবন।


