প্রথমবারের মতো আসপারা ফ্যাশন উইকে বাংলাদেশ

প্রথমবারের মতো আসপারা ফ্যাশন উইকে বাংলাদেশ
ছবি : সংগৃহীত
ফ্যাশন উইকের দ্বিতীয় দিনে প্রদর্শিত হয় বাংলাদেশী নকশাবিদদের পোশাক গুলো। এর জন্য পোশাকের অডিও ভিজ্যুয়াল তৈরি করে এই আন্তর্জাতিক মঞ্চে পাঠানো হয়।

গত ৭ থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত কাজাখিস্তানের তারাজ শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছে আসপারা ফ্যাশন উইক। যেখানে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করেছিলো। করোনার কারণে ভার্চুয়াল এই আয়োজনে ফ্যাশন ডিজাইন কাউন্সিল অব বাংলাদেশের (এফডিসিবি) ১১ জন নকশাবিদের নকশা করা দেশি কাপড় প্রদর্শিত হয়। এই আয়োজনের লক্ষ্য ছিলো টেকসই উন্নয়নকে আধুনিক ফ্যাশনের মাধ্যমে তুলে ধরা।  

 

ফ্যাশন উইকের দ্বিতীয় দিনে প্রদর্শিত হয় বাংলাদেশী নকশাবিদদের পোশাক গুলো। এর জন্য পোশাকের অডিও ভিজ্যুয়াল তৈরি করে এই আন্তর্জাতিক মঞ্চে পাঠানো হয়। পোশাকে মাধ্যমে  টেকসই উন্নয়ন ফ্যাশন হচ্ছে পোশাক উৎপাদন, নকশা, সরবরাহ এবং  পরিবেশবান্ধব ব্যবহার। এসব পোশাক উৎপাদনে সামাজিক কল্যাণ এবং শ্রমিকের অধিকার নিশ্চিত করণেও জোর দেওয়া হয়। 

 

বাংলাদেশী নকশাবিদ শৈবাল সাহার মতে, আমাদের দেশের ফ্যাশন আর টেকসই উন্নয়ন যোগসূত্র শেকড়ের। এখানে কাপড় বুনা থেকে শুরু করে পোশাক তৈরি পর্যন্ত পুরোটাই  পরিবেশবান্ধব উন্নয়নের একটি চক্রাকার ক্রমধারা। তিনি আরো জানান, এই ফ্যাশন উইকের পোশাক তৈরিতে তেমন কোনো নির্দিষ্ট বিষয় না থাকলেও অসমসাময়িক লুকে আধুনিকতার ছোঁয়া রাখার চেষ্টা করেছেন তারা। যা দেশীয় ঐতিহ্যের পাশাপাশি ব্যবহারে আরামদায়ক, সহজ এবং পরিবেশবান্ধব। 

 

মালয়েশিয়ান ডিজাইনার এডরিক অং এর আমন্ত্রণে এই ফ্যাশন উইকে এবছর থেকে বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়েছে। যেখানে বাংলাদেশ থেকে এফডিসিবির ১১ জন নকশাবিদ অংশ নেন। তারা হলেন, মাহিন খান, চন্দনা দেওয়ান, কুহু প্লামন্দন, ফারাহ আনজুম বারী, এমদাদ হক, শৈবাল সাহা, লিপি খন্দকার, শাহরুখ আমিন, তেনজিং চাকমা, আফসানা ফেরদৌসি এবং ফাইজা হক। 

 

এছাড়াও এশিয়া থেকে আরো ২৯ জন নকশাবিদ এই ফ্যাশন উইকে অংশ নেয়। যারা ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ডসহ বেশ কয়েকটি দেশ থেকে অংশ নেন।