৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | মঙ্গলবারবাংলা: ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
বিনোদন

রাত ১০টার পর আমাকে কেউ ফোন দিয়ে পায় না: প্রভা

prova_thumb

দেশের বিনোদন অঙ্গনের পরিচিত মুখ সাদিয়া জাহান প্রভা। মডেলিং ও অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বেশ সক্রিয় এই অভিনেত্রী। তাঁর ব্যক্তিজীবন, কাজ কিংবা দৈনন্দিন অভ্যাস—সবকিছু নিয়েই ভক্তদের আগ্রহ কম নয়। তবে দিনের ব্যস্ততার মধ্যেও নিজের জন্য নির্দিষ্ট একটি সময় আলাদা করে রেখেছেন প্রভা। আর সেই সময়টায় তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা বেশ কঠিন।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ব্যক্তিগত জীবন ও দৈনন্দিন রুটিন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে নিজের এই অভ্যাসের কথা জানান অভিনেত্রী। প্রভা বলেন, রাত ১০টার পর তিনি সাধারণত ফোন ব্যবহার করেন না। এমনকি জরুরি কোনো ঘটনা ঘটলেও সে সময় ফোন তাঁর কাছে থাকে না। নিজের এই অভ্যাস সম্পর্কে বেশ স্পষ্টভাবেই কথা বলেছেন প্রভা। তাঁর ভাষায়, ‘আমাকে রাত দশটার পরে কেউ ফোন দিয়ে পায় না। পৃথিবীতে যা খুশি হয়ে যাক, আমার ফোন বন্ধ। আমার ফোনটা দূরে, কেউ আমাকে কল দিয়ে পায় না। পরে সব খবর পাই।’

অভিনেত্রীর এমন মন্তব্যের পর বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা তৈরি হয়েছে। কারণ তারকাদের ক্ষেত্রে দিনের যেকোনো সময় ফোন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও নানা ধরনের যোগাযোগের সঙ্গে যুক্ত থাকা অনেকটা স্বাভাবিক বিষয়। সেখানে রাত ১০টার পর পুরোপুরি ফোন থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত কিছুটা ব্যতিক্রমীই বলা যায়।
তবে প্রভার কাছে এটি যেন নিজের ব্যক্তিগত সময়কে গুরুত্ব দেওয়ার একটি উপায়। দিনের ব্যস্ততা, কাজের চাপ কিংবা চারপাশের নানা খবর থেকে নিজেকে কিছুটা দূরে রেখে রাতের সময়টুকু নিজের মতো করে কাটাতেই পছন্দ করেন তিনি। পৃথিবীতে কী ঘটছে, সেই মুহূর্তে তা জানার চেয়ে নিজের নির্ধারিত সময়কে প্রাধান্য দেওয়াই তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

প্রভার এই অভ্যাসের আরেকটি দিকও চোখে পড়ে—সবকিছু সঙ্গে সঙ্গে জানতে হবে, এমন মানসিকতা থেকে তিনি নিজেকে দূরে রাখেন। রাতের বিরতিটুকু শেষ হওয়ার পর প্রয়োজনীয় খবর জানতে পারেন। অর্থাৎ, তাৎক্ষণিক যোগাযোগের বাইরে থেকেও নিজের ব্যক্তিগত সময়কে উপভোগ করার পথ বেছে নিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

বর্তমান সময়ে স্মার্টফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যখন মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ, তখন নির্দিষ্ট একটি সময়ের পর ফোন পুরোপুরি দূরে সরিয়ে রাখার অভ্যাস নিঃসন্দেহে ব্যতিক্রমী। প্রভার এই বক্তব্য তাই তাঁর ভক্তদের মধ্যে যেমন কৌতূহল তৈরি করেছে, তেমনি নিজের জন্য সময় রাখার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও নতুন করে ভাবার সুযোগ তৈরি করেছে।

Advertisements