‘৩০ জন পুরুষ আমায় ঘিরে ধরেছিল’ – রাবিনা ট্যান্ডন

১৯৯১ সালে ‘পাত্থর কে ফুল’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে যাত্রা শুরু করেন রাবিনা। তবে তারকা হওয়ার আগে অন্যান্য সাধারণ মেয়ের মতোই জীবনযাপন করতেন তিনি। বাস, ট্রেন, অটোরিকশার মতো গণপরিবহনেই যাতায়াত করতেন রাবিনা।
এক টুইটবার্তায় এ অভিনেত্রী জানান, ১৯৯২ সালে প্রথম গাড়ি কেনেন তিনি। এর আগে গণপরিবহনে যাতায়াতের সময় অন্য পাঁচটা মেয়ের মতো তাকেও শারীরিক হেনস্তার শিকার হতে হয়েছে। শুনে বিস্মিত হলেও এ ঘটনাকে নির্মম সত্য বলে টুইটারে অকপট স্বীকারোক্তি রাবিনার।

শুধু তাই নয় তিনি আরো জানিয়েছেন, নিজের বাড়িতেই উত্তেজিত জনতার হামলার শিকার হয়েছিলেন তিনি! মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় অবস্থিত বাসভবনে তাকে ঘিরে ধরেছিল প্রায় ৩০ জনের একটি উত্তেজিত দল। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানান, ২০২৪ সালের জুনে এ ঘটনা ঘটে। একটি মিথ্যা দুর্ঘটনার অভিযোগকে কেন্দ্র করে ওই জনতা তার বাড়ির সামনে জড়ো হয়ে ভাঙচুর ও টাকা আদায়ের চেষ্টা চালায়।
রাবিনার ভাষ্য অনুযায়ী, এক নারীকে গাড়ি দিয়ে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগ তুলে তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়। তবে পরে সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, গাড়িটি কাউকে স্পর্শই করেনি। অভিনেত্রীর দাবি, পুরো ঘটনাটি ছিল পরিকল্পিত। তার কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায়ের উদ্দেশ্যেই পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছিল।

ঘটনার বর্ণনায় রাবিনা বলেন, বাইরে বের হতেই প্রায় ৩০ জন পুরুষ তাকে ঘিরে ধরে এবং তার গাড়িচালককে মারধর শুরু করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে তিনি নিজেই চালককে টেনে বাড়ির ভেতরে নিয়ে যান। তিনি আরও জানান, এক ব্যক্তি জোর করে বাড়ির ভেতরে ঢুকে পড়লে তাকে কলার ধরে বাইরে বের করে দেন তিনি।

ঘটনার সময় তার স্বামী অনিল থাডানি বাসায় ছিলেন না। বাড়িতে শুধু সন্তানরা ছিল বলে জানান অভিনেত্রী। এমনকি তিনি যাতে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পারেন, সে জন্য তার মোবাইল ফোনও কেড়ে নেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন।মুম্বাইয়ের অভিজাত এলাকা বান্দ্রায় এমন ঘটনায় সে সময় নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।



