বাংলাদেশের অন্যতম নারী বিষয়ক ম্যাগাজিনবৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬
বিবিধ

ঢাবি শিক্ষার্থীর মিমোর আত্ম/হত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে শিক্ষক কারাগারে

cHJpdmF0ZS9sci9pbWFnZXMvd2Vic2l0ZS8yMDI0LTAzL3Jhd3BpeGVsb2ZmaWNlMl9hX2JsYWNrX2ZsYXRfY3J5aW5nX3dvbWFuX3NpbGhvdWV0dGVfY2xpcF9hcnRfaV9lMDMzYzBjYy02NzQyLTQ3NWQtYjkxZC04OTM2ZGFhNGU3ZmYuanBn (1)

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর আত্ম/হত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় গ্রেফতার সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে ঢাকার একটি বিচারিক আদালত। সোমবার তাকে আদালতে হাজির করে মামলাটির তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা ও বাড্ডা থানার উপ-পরিদর্শক কাজী ইকবাল হোসেন। গ্রেফতার সুদীপ চক্রবর্তীর আইনজীবী জামিনের আবেদন করেছেন।

তবে শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেন। পুলিশের করা আবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে এজাহারনামীয় আসামি সুদীপ চক্রবর্তীকে শনাক্ত ও গ্রেফতারের চেষ্টার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার তিনটা ২০ মিনিটে উত্তর বাড্ডা থেকে আটক করে হেফাজতে নেওয়া হয়। তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে মামলার ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে তার বিরুদ্ধে ঘটনায় জড়িত থাকার তথ্য প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। এমতাবস্থায় মামলাটির সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায় বিচারের স্বার্থে তদন্ত কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে জেলহাজতে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন। মামলা তদন্তের স্বার্থে ভবিষ্যতে তার রিমান্ডের প্রয়োজন হতে পারে বলেও তদন্ত কর্মকর্তা আবেদনে উল্লেখ করেন।

উল্লেখ্য, রোববার রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় নিজ বাসায় ঢাবি শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর ঝুলন্ত মর।/দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এসময় একটি চিরকুট পাওয়া যায়। এটিতে লেখা ছিল, ‘সুদীপ স্যারকে ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে। হানি আর সুদীপ স্যার ভালো থাকো। স্যারের দেওয়া গিফটগুলো ফেরত দেওয়া…।’ পরে আত্ম/হত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে তার বাবা মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা বাদী হয়ে সুদীপ চক্রবর্তীকে আসামি করে মামলা করেন।

আত্মহত্যাঢাবিমিমোসুদীপ চক্রবর্তী