বাংলাদেশে শিল্পী হওয়া একটা অভিশাপ: রিনা খান

বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রিনা খান। বিশেষ করে খল চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি দর্শকের কাছে আলাদা পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন। অনেকদিন ধরেই সিনেমার পর্দায় তাবে অভিনয় করতে দেখা যায় না। তবে স্যোশাল মিডিয়ায় বেশ সরব এ অভিনেত্রী।
বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় এই অভিনেত্রী নারী সংরক্ষিত আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের তালিকায় ছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন পাননি তিনি। কেবল রিনা খান নন, শোবিজ অঙ্গনের কোনো তারকাকেই মনোনয়ন দেয়নি বিএনপি।
এ নিয়ে তার বেশ মন খারাপ বোঝা যাচ্ছে তার ফেসবুকে চোখ রাখলেই। একের পর এক স্ট্যাটাস দিয়ে শিল্পী হিসেবে অবমূল্যায়িত হওয়ার ক্ষোভ প্রকাশ করছেন তিনি।
সেই ধারাবাহিকতায় গতকাল (২২ এপ্রিল) বুধবার ফেসবুকে রিনা খান লেখেন, ‘বাংলাদেশের শিল্পী হওয়া একটা অভিশাপ। নাই টাকা, নাই সম্মান। যতটুকু পাই নিজের যোগ্যতায়।’
তার সেই পোস্টে অনেকেই এসে সহমত প্রকাশ করেছেন। অনেকে তুলে ধরেছেন এই দেশে শিল্প চর্চার কঠিন বাস্তবতার চিত্র।
রাজনৈতিক অঙ্গনে রিনা খান দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত আছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র সঙ্গে। বর্তমানে জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। দলীয় বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়া এবং সংগঠনের সঙ্গে সক্রিয় থাকতে দেখা গেছে তাকে। এখন সেই রাজনৈতিক পথচলাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিতে চান এই অভিনেত্রী।
প্রসন্নগত, গত ১০ এপ্রিল বিএনপি নারী সংরক্ষিত আসনে তাদের দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু করে। তিন দিনে এক হাজার তিনশো জন প্রার্থী মনোনয়ন সংগ্রহ করেন। তাদেরমধ্যে ছিলেন কনকচাঁপা, বেবী নাজনীন, রিজিয়া পারভীন, নৃত্যশিল্পী ফারহানা চৌধুরী বেবী, দিলরুবা খান, দিঠি আনোয়ার, ফারহানা চৌধুরী, রিনা খান, রুকাইয়া জাহান চমক। কিন্তু গত ২০ এপ্রিল মনোনীতদের তালিকা থেকে জানা যায় কোনো তারকার ভাগ্য খোলেনি।



