বাংলাদেশের অন্যতম নারী বিষয়ক ম্যাগাজিনমঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬
নারী

পুরুষ দলে নারী কোচকে নিয়োগ দিয়ে ইতিহাস গড়ল জার্মান ক্লাব

fdgbdfhtyjhjmghmmm

সম্প্রতি স্টেফেন বাউমগার্টকে বরখাস্ত করে ইউনিয়ন বার্লিন। তার সহকারী ড্যানিলো ডি সুজা ও কেভিন ম্যাককেনা-ও দায়িত্ব হারান। এরপর ঐতিহাসিক এই সিদ্ধান্ত নেয় জার্মান ক্লাবটি।

বুন্দেসলিগা ইতিহাস গড়েছেন নারী কোচ মেরি-লুইস এতা। জার্মান ক্লাব ইউনিয়ন বার্লিন তাকে মৌসুমের শেষ পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। যা পুরুষদের বুন্দেসলিগায় কোনো নারীর প্রথম হেড কোচ হওয়ার নজির।

৩৪ বছর বয়সি এতা ২০২৩ সাল থেকে ক্লাবটির সঙ্গে যুক্ত। এর আগে তিনি পুরুষদের বুন্দেসলিগা ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথম নারী সহকারী কোচ হিসেবে ইতিহাস গড়েছিলেন। এবার সেই পথেই আরও বড় মাইলফলক স্পর্শ করলেন। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে তৎকালীন ম্যানেজার নেনাদ বিয়েলিকা তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞায় পড়লে ডার্মস্ট্যাটের বিপক্ষে তিনি ডাগআউটে ছিলেন। সেটি ছিল বুন্দেসলিগায় প্রথম নারী কোচ হিসেবে টাচলাইনে দাঁড়ানোর কৃতিত্ব। ম্যাচটিতে ১-০ গোলে জিতেছিল মেরি-লুইসের দল।

জার্মানি নারী যুব দলের হয়ে খেলা মেরি-লুইস টারবাইন পটসডামের হয়ে নারী চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছেন। ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ইউনিয়ন বার্লিনের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছেন। আগামী গ্রীষ্মে ক্লাবটির নারী দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব গ্রহণ করার কথা রয়েছে তাঁর।

ইউনিয়ন বার্লিনের পুরুষ ফুটবল দলের পরিচালক হর্স্ট হেল্ট বলেন, ‘মৌসুমের দ্বিতীয়ার্ধে আমাদের পারফরম্যান্স হতাশাজনক। যে কারণে আমাদের মনে হচ্ছে না যে বর্তমান কাঠামো দিয়ে ঘুরে দাঁড়ানো যাবে। তাই আমরা নতুনভাবে শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

১৮ দলের বুন্দেসলিগায় ইউনিয়ন বার্লিন ১১ নম্বরে আছে। চলতি ২০২৬ সালে দলটি লিগে ১৪ ম্যাচের মাত্র দুটিতে জিতেছে।

অবনমন প্লে-অফ পজিশনে থাকা সেন্ট পাউলির চেয়ে মাত্র ৭ পয়েন্ট পেছনে থাকার দিকে ইঙ্গিত করে নতুন মেরি-লুইস বলেন, ‘বুন্দেসলিগায় আমাদের অবস্থান এখনো নিরাপদ নয়। ক্লাব এই চ্যালেঞ্জিং কাজের জন্য আমার ওপর আস্থা রাখায় আমি আনন্দিত। ইউনিয়নের অন্যতম শক্তি সব সময়ই ছিল এবং এখনো আছে, আর সেটা হচ্ছে এমন পরিস্থিতিতে সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধ থাকা।’ অবনমন এড়াতে প্রয়োজনীয় পয়েন্ট তাঁর নেতৃত্বে দল তুলতে পারবে বলে আত্মবিশ্বাসী মেরি-লুইস।

অলিম্পিক ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, পেশাদার পুরুষ ফুটবল দলে বিশ্বের প্রথম নারী কোচ ইতালির ক্যারোলিনা মোরাসি। তিনি ১৯৯৯ সালে সিরি সিওয়ানের (ইতালিয়ান ফুটবলের তৃতীয় স্তর) দল ভিতারবেসেতে প্রধান কোচ হয়েছিলেন, যদিও দুই ম্যাচ পরই তাঁকে পদত্যাগ করতে হয়েছিল।

ইতিহাসজার্মান ক্লাবনারী কোচপুরুষ দলমেরি-লুইস এতা