ববিতার প্রথমবার তুরস্ক ভ্রমণ

একুশে পদকপ্রাপ্ত বাংলাদেশের অত্যন্ত খ্যাতিসম্পন্ন আন্তর্জাতিক মানের অভিনেত্রী ববিতা। সত্যজিৎ রায়ের অশনি সংকেত দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তিনি তার জাত চিনিয়েছিলেন। এছাড়াও জহির রায়হানসহ অনেক বিখ্যাত পরিচালকের সাথে কাজ করেছেন ফরিদা আক্তার ববিতা। চার দশকের বেশি সময়ের ক্যারিয়ারে গ্রামীণ, শহুরে কিংবা সামাজিক অ্যাকশনসহ সব ধরনের ছবিতেই ববিতা ছিলেন সাবলীল। সত্তর ও আশির দশকে তরুণ-তরুণীদের কাছে তিনি ছিলেন ভীষণ জনপ্রিয়। তাঁর ফ্যাশন-ভাবনা তরুণীদের প্রভাবিত করত।
প্রথবারের মতন তুরস্ক ভ্রমণ নিয়ে ববিতা দারুণ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘দুই বোন ও এক ভাই মিলে পরিকল্পনা করেই এসেছি। পৃথিবীর অনেক দেশ ঘুরেছি। কিন্তু তুরস্ক এবারই প্রথম আসা। এই দেশের অনেক ঐতিহ্য আছে, ইতিহাস আছে, কালচার আছে। পছন্দের একটি দেশ। অনেক দেরিতে এলেও উপভোগ করছি। আমার বোন চম্পা এবং ভাই এসেছে। ওদেরও খুব ভালো লাগছে। তিনজন মিলে তুরস্ক ঘুরে বেড়ানোটা উপভোগ করছি। সুন্দর সুন্দর স্মৃতি জমা হচ্ছে। জীবনে এইসব সুন্দর স্মৃতিরও প্রয়োজন আছে।’
তুরস্কের খাবার-দাবার নিয়ে ববিতা বলেন, ‘এখানকার খাবার খুব ভালো। দেশে থাকলে বাঙালি খাবারই আমার পছন্দ। কিন্তু দেশের বাইরে তো নানান দেশে নানানরকম খাবার। তুরস্কের খাবার আমরা মজা করেই খাচ্ছি। খাবারগুলো অসাধারণ।’ তিনি আরও যোগ করে বলেন, ‘কয়েকটা দিন খুব ঘুরব। যত পারি দেখব। দেখার মধ্যে আনন্দ আছে। দেখার মধ্যে ভালো লাগা কাজ করে। সত্যি কথা বলতে তুরস্কে অনেক কিছু আছে দেখার মতো। যে কয়টি দিন থাকব শুধু দেখব।আগামীকাল আরেকটি সুন্দর জায়গায় ঘুরব। ওখানে বেলুন উড়ানো হবে। আশা করছি অনেক আনন্দ করব।’



