১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | বৃহস্পতিবারবাংলা: ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
স্বাস্থ্য

সব সময় সুস্থ থাকতে সহজ ৫টি অভ্যাস

7-SM1110936

আজকের ব্যস্ত জীবনে সুস্থ থাকা যেন এক চ্যালেঞ্জ। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভেসে বেড়ায় অগণিত স্বাস্থ্য–পরামর্শ। কোনটা কাজে লাগে, আর কোনটা আপনার জন্য ঠিক নয় তা বুঝে ওঠা কঠিন। তবে কিছু অভ্যাস আছে যা যুগে যুগে প্রমাণিত। নিয়মিত এই অভ্যাস অনুযায়ী কাজ করলে সুস্থ থাকা সম্ভব।

মনোযোগ ধরে রাখার অভ্যাস – মানসিক চাপ আধুনিক সময়ের বড় সমস্যা। অতীতের ভুল অথবা ভবিষ্যতের দুশ্চিন্তা আমাদের ক্লান্ত করে তোলে। তাই মনোযোগ ধরে রাখার চর্চা করতে পারেন। ধ্যান, শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম, প্রকৃতির সৌন্দর্য দেখা বা শব্দ শোনা। এই ছোট্ট অভ্যাস মনকে শান্ত করে, স্ট্রেস কমায়।

পর্যাপ্ত ঘুম জরুরি – শরীর ঠিকমতো কাজ করবে কি না। এটা অনেকটাই নির্ভর করে ঘুমের ওপর। দেরি করে জাগা, মোবাইলে সময় নষ্ট করা। এসব অভ্যাস ঘুম নষ্ট করে। সুস্থ থাকতে প্রতিদিন অন্তত ৭ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন।

প্রক্রিয়াজাত খাবার কম খান – শরীরের পুষ্টি পেতে হলে খাবার হতে হবে যতটা সম্ভব প্রাকৃতিক। তাই গোটা শস্য, গোটা ফল (রসের বদলে), সম্ভব হলে ফলের খোসা–সহ খেতে পারেন। প্রক্রিয়াজাত খাবারে থাকে অতিরিক্ত চিনি, লবণ ও রাসায়নিক উপাদান। এটি দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর।

শরীর সচল রাখুন – অনেকেই ভাবেন ব্যায়াম মানেই জিমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় দেওয়া। আসলে সচল থাকাই মূল কথা। নিয়মিত হাঁটা, এক–দু’তলা সিঁড়ি ওঠা, কাজের ফাঁকে দাঁড়িয়ে একটু নড়া–চড়া, ফ্রিহ্যান্ড এক্সারসাইজ এই ছোট চর্চাগুলো ওজন, পেশি ও হৃদ্‌যন্ত্রের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

টক্সিন থেকে দূরে থাকুন

  • পরিবেশে নানা অদৃশ্য পদার্থ শরীরে ক্ষতি করে।
  • প্লাস্টিকের ব্যবহার কমান
  • ভালো মানের পানি ব্যবহার করুন
  • রান্নাঘরে ধোঁয়া বের হওয়ার ব্যবস্থা রাখুন
  • ধুলাবালি থেকে বাঁচুনশরীর পরিষ্কার রাখতে পরিবেশ পরিচ্ছন্ন থাকাও জরুরি।

সুস্থতা কোনো বিশেষ ডায়েট, ব্যয়বহুল ট্রিটমেন্ট বা জিম–রুটিনের ওপর নির্ভর করে না। ছোট ছোট দৈনিক অভ্যাসই দীর্ঘমেয়াদে বড় পরিবর্তন আনে।আজই শুরু করুন ভালো ঘুম, সচল থাকা, শাক–সবজি ও গোটা ফল, মানসিক শান্তি এবং পরিবেশগত টক্সিন ব্যবহার কমানো। আরেকটু যত্নেই শরীর ও মন উভয়ই থাকবে ভালো!

Advertisements