অতীতের জয়েই অনুপ্রেরণা খুঁজছেন সুপ্তা

বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের ওয়ানডে বিশ্বকাপ অভিষেক হয়েছিল তিন বছর আগে। সেই আসরেই পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় তুলে নেয় নিগার সুলতানা জ্যোতি, শারমিন আক্তার সুপ্তারা। ঘরের মাঠে ভারতের সঙ্গে সিরিজে সমতা আর পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জয়ও মেয়েদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। এ সাফল্যে বড় অবদান রেখেছিলেন জ্যোতি-সুপ্তারা।
আসন্ন যৌথভাবে ভারত-শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপে বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ খেলতে নামবে বাংলাদেশ। সুপ্তার বিশ্বাস, আগের সাফল্য এবারও দলকে প্রেরণা যোগাবে। তাঁর ভাষায়, “অতীতের ইতিবাচক স্মৃতি ইচ্ছাশক্তি বাড়ায়, আত্মবিশ্বাস দেয়। ২০২২-এর বিশ্বকাপে আমরা একটি ম্যাচ জিতেছিলাম, বেশ কয়েকটিতে অল্পের জন্য হেরেছিলাম। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচটা যেমন। এবার শ্রীলঙ্কাও আছে, যাদের সঙ্গে আমাদের লড়াই সবসময় কঠিন হয়। গত দুই-তিন বছর ব্যাট হাতে আমার সময়টা ভালো যাচ্ছে। একইভাবে দলে অবদান রাখতে চাই। প্রক্রিয়া মেনে আগের মতোই খেলার চেষ্টা থাকবে।”
বাছাইপর্ব পেরিয়ে বাংলাদেশকে বিশ্বকাপের টিকিট পেতে হয়েছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সমান পয়েন্ট নিয়েও নেট রান রেটে এগিয়ে বিশ্বকাপে জায়গা পায় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। সুপ্তা টুর্নামেন্ট সেরা একাদশে জায়গা পেয়েছিলেন। ৯৪ রানের একটি ইনিংসও খেলেছিলেন। দুবার নার্ভাস নাইনটিতে আটকানো সুপ্তা এবার সুযোগ এলে তিন অঙ্কের ঘরে ঢুকতে চান, ‘সেঞ্চুরি পেতে আরেকটু সচেষ্ট থাকতে হবে। প্রথম সেঞ্চুরিটা বিশ্বকাপে পেলে তো কথাই নেই। আগের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়েছি। সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করছি। সেঞ্চুরি পেলে সারাজীবন মনে রাখার মতো স্মৃতি হবে।’
বিশ্বকাপে অভিজ্ঞ ও নতুনদের সমন্বয়ে গড়া দল নিয়ে গেছে বাংলাদেশ। ১৫ জনের দলের আটজন ছিলেন গত বিশ্বকাপে। দলে সুপ্তা-নিগার-ফারজানারা যেমন আছেন, তেমনি আছেন ১৭ বছরের নিশিতা আক্তার, ১৮ বছরের সুমাইয়ারা আছেন।
সুপ্তা মনে করেন, সিনিয়রদের অভিজ্ঞতা এবং নতুনদের প্রাণশক্তিতে ভালো বিশ্বকাপ কাটবে তাদের, ‘অভিজ্ঞতার সবসময়ই দাম আছে। দলের অধিকাংশ সদস্য বিশ্বকাপ খেলার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। আবার দলে নতুন অনেকে এসেছে। আমরা সিনিয়র-জুনিয়রের সমন্বিত দল বলতে পারি। আমরা অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করব, ওরা গতিশীলতা যোগ করবে, দুইয়ের সমন্বয়ে যা হবে তা দারুণ উচ্ছ্বাসের।’



