শাড়িতে শরতের শুভ্রতা

শরৎ, তােমার অরুণ আলোর অঞ্জলি।
ছড়িয়ে গেল ছাপিয়ে মোহন অঙ্গুলি।।
শরৎ, তোমার শিশির-ধোওয়া কুন্তলে
বনের-পথে-লুটিয়ে-পড়া অঞ্চলে
শরৎ মানেই আকাশের রঙিন মেঘগুলো খেলা করছে, চারিদিকে অসীম স্নিগ্ধতা। শরৎ মানে ই কাশফুলে ছেয়ে যায় চাইরে শরৎ মানেই নীল-সাদার মুগ্ধতা। তুলতুলের নরম শিমুল তোলার মতো আকাশের মেঘগুলো ভাসতে থাকে পরিবর্তন হয় আকাশের রং। শরৎ মানেই শুভ্রতা।

শরৎকালের প্রকৃতি যেন এক শান্ত সৌন্দর্যের এক অপার মেলবন্ধন নীল আকাশে ভাসমান সাদা মেঘ, কাশফুলের দোলা আর হালকা রোদ মিলে সৃষ্টি করে প্রশান্তি। এই ঋতুর মায়াবী আবহ মনকে করে শান্ত আর চোখে আনে আরামদায়ক প্রশান্তির ছোঁয়া।

শরতের সাজ-পোশাকে নীল ও সাদা রংকে প্রাধান্য দেওয়া হয় বেশি। প্রকৃতির সঙ্গে এই রং ওতপ্রোতভাবে জড়িত। মূলত কাশফুলের সাদা শুভ্রতা আর আকাশের নীল স্নিগ্ধতা মানুষের মনকে ভরিয়ে দেয়।

শরতের পোশাকের নকশার ক্ষেত্রে মেঘ, ফুল, সমুদ্র , লতাপাতা, মাছ, প্রজাপতি প্রভৃতি এই ধরনের নকশা কে প্রাধান্য দেওয়া উচিত। এই নকশাগুলোর সাথে বহমান ঋতুর এক নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে।

এবারে শরতের শুধু সাদা নীল নয় নানান রঙিন ও উজ্জ্বল রঙের সমাহারের শরৎ হয়ে উঠুক মনোরম ও প্রাণবন্ত। একমাত্র রঙ- ই পারে শরতের পোশাককে শুভ্র শরৎময় রূপ দিতে।

ফটো ফিচার
ছবি- হরিতকী



