পাঠক কর্নার
ষণ্ডা গুণ্ডার প্রেম ও একটা জিয়লমাছ

আচানক বুকের মধ্যে একটা জিয়লমাছ ছলাৎ কইরা উঠে
মাছটা বানের জল মানে না, চৈত্রের দিন মানে না
জোয়ার ভাটা, চন্দ্র সূর্যের হিসাব- কিচ্ছু বুঝে না
দিবানিশি আমার বুকের মধ্যে খালি লাফায় আর লাফায়।
তোমারে দেখলেই আমি আউলা ঝাউলা হইয়া যাই
আমার আসমান আর আসমানের জায়গায় থাকে না
আমার দীর্ঘশ্বাসে পুইড়া ছাই হইয়া যায় পাখির পালক
মনের অরণ্যে উচ্চবংশীয় এক বিষণ্ণতা লুকোচুরি খেলে
লাটিমের মতন ঝিম মাইরা থাকে না বলা কথাগুলা
অথচ তোমারে না দেখলে কথাগুলা শ্লোগান হইতে চায়
তুমি আমার সামনে না আসলে সুবোধের মুখোশ পরে মায়া ও প্রেম!
তুমি আমার সামনে আসলেই আমি নিঃস্পৃহ এক জড়বস্তু হইয়া যাই,
মনের কথারা হইয়া যায় ঘূর্ণিবায়ু; মরা মাছের চোখের মতন,
অথচ পাড়ার লোকে আমারে আবডালে ষণ্ডা-গুণ্ডা কয়
মাগার- আমারে কেউ প্রেমিক কয় না কেন?



