Skip to content

২০শে ফেব্রুয়ারী, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ | মঙ্গলবার | ৭ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

ভেষজ গুণসম্পন্ন বাসকের উপকারিতা 

বাসক গাছ সকলের কাছে পরিচিত নাও হতে পারে তবে এর ঔষধি গুন রয়েছে অনেক। ভেষজ গুণসম্পন্ন বাসক গাছের পাতা সবুজ খাদ্য ব্যবহার করা হয় এবং পাতা থেকে হলদে রঙও পাওয়া যায়। ফল প্যাকিং ও সংরক্ষণ কাজে বাসক পাতা ব্যবহার করা হয়। বাসকের বৈজ্ঞানিক নাম Justicia adhatoda. এটি একান্থাসি পরিবারের জাস্টিসিয়া গণের সপুষ্পক গুল্ম। এটি ক্ষুপ জাতীয় গাছ, তবে প্রায় ৫-৬ ফুট লম্বা হয়। বাসক গাছে আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে সাদা ফুল হয়।

 

দীর্ঘদিন অম্লপিত্ত রোগে ভুগতে থাকলে অম্লশূর, হৃদরোগ, ব্লাডপ্রেশার এমনকি ক্যান্সার অব্দি হতে পারে। অম্লপিত্তকে বন্ধ করার জন্য ৭ থেকে ৮ গ্রাম বাসক ছাল প্রায় ৪ কাপ পানিতে সিদ্ধ করে নিয়ে ১ কাপ থাকতেই নামিয়ে নিয়ে পানিটা ছেঁকে খেতে হবে। প্রতিদিন দুই-তিন বার খেলে রোগমুক্তি হবে।

 

বাসক ছালের ক্বাথ করে বয়সানুপাতে মাত্রা মতো দিনে দুই-তিন বার খেলে কৃমি থেকে উপশম পাওয়া যায়। রক্তপিত্তজনিত যেকোনো জায়গা থেকে রক্তস্রাব বন্ধ করতে প্রায় ১০-১১ গ্রাম বাসকের ছাল ও পাতা নিয়ে একইসাথে সিদ্ধ করে ক্বাথ তৈরি করে চিনি বা মিশরির সিরাপ করে খেতে হবে। এই ক্বাথ সিরাপের সাথে মিশে খেলে শ্বাসেরও অনেক রোগের উপশম হয়। 

 

বাসকের শুকনো পাতার চুরুট বানিয়ে বা বিড়ি বানিয়ে, কিংবা কলকেতে সাজিয়ে ধোঁয়া টানলে হাঁপের টানের উপশম হয়। এছাড়াও বাসক পাতার রস লাগালে শরীরে স্থান বিশেষে ঘামের যে দুর্গন্ধ হয় তা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। আয়ুর্বেদিক চিকিৎসাতেও বাসক গাছ ব্যবহার করা হয়। পাড়াজুড়ে বসন্ত সংক্রমণ থেকে বাঁচতে হলে প্রতিদিনের খাওয়ার পানির সাথে বাসক পাতা সিদ্ধ করা পানি মিশিয়ে খেতে হবে। তাহলে সংক্রমিত হওয়ার কোন ভয় থাকে না। 

 

৩ থেকে ৪ টি বাসক কুঁচি করে কেঁটে এক কলসি পানিতে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখলে পানি জীবাণুমুক্ত হয়ে যায়।

 

 

 

ডাউনলোড করুন অনন্যা অ্যাপ