৩০ অক্টোবর, ২০২৬ | শুক্রবারবাংলা: ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বিবিধ

শীতকালীন সবজির বাজারে স্বস্তি, তবে আবার বেড়েছে ডিমের দাম

image-841866-1724432285

রাজধানীর বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়তে শুরু করায় দাম তুলনামূলক কম রয়েছে। তবে সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লার ও সোনালী মুরগির দাম কমলেও আবার বেড়েছে ডিমের দাম। অন্যদিকে, বোতলজাত সয়াবিন তেল ও চিনির সরবরাহ সংকট এখনো অব্যাহত রয়েছে।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামের এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, সপ্তাহের শুরুতে প্রতি ডজন ডিম ১৬০ টাকা থেকে কমে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল। তবে কয়েক দিনের ব্যবধানে দাম বেড়ে আবার ১৫০ টাকায় পৌঁছেছে। বিক্রেতাদের ভাষ্য, গত সপ্তাহে টানা ছুটির কারণে ডিমের দাম কমেছিল। পরে আবার প্রতি ডজনে ১০ টাকা বেড়েছে।

মুরগির বাজারে অবশ্য কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। বর্তমানে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহের তুলনায় প্রায় ২০ টাকা কম। একইভাবে সোনালী মুরগির দাম কেজিতে ২০ টাকা কমে ৩৩০ থেকে ৩৪০ টাকায় নেমেছে। গত সপ্তাহে এই মুরগি ৩৫০ থেকে ৩৬০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছিল।

সবজির বাজারে শীতকালীন পণ্যের সরবরাহ বাড়ায় তুলনামূলক কম দামে কেনার সুযোগ পাচ্ছেন ক্রেতারা। নতুন আসা ফুলকপি ও বাঁধাকপি প্রতি পিস ৩০ থেকে ৪০ টাকা, মুলা প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং শিম ৮০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

রামপুরা বাজারের সবজি বিক্রেতা এনামুল মিয়া জানান, কয়েক সপ্তাহ ধরে বাজারে শিম ও মুলা আসতে শুরু করেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এবার এসব নতুন সবজির দাম বেশ কম।

Advertisements

তবে গ্রীষ্মকালীন সবজির ক্ষেত্রে এখনো পুরোপুরি স্বস্তি নেই। ঝিঙে, চিচিঙ্গা, পটোল ও ঢ্যাঁড়স প্রতি কেজি ৬০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে, করলা ও বেগুনের দাম তুলনামূলক বেশি। এসব সবজি কিনতে ক্রেতাদের প্রতি কেজিতে ৮০ থেকে ১০০ টাকা গুনতে হচ্ছে।

এদিকে, বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেল ও চিনির সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি। বিশেষ করে সয়াবিন তেল কিনতে একাধিক দোকানে খোঁজ নিতে হচ্ছে ক্রেতাদের। বোতলের গায়ে প্রতি লিটারের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ২০৪ টাকা উল্লেখ থাকলেও বাজারে তা ২১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, কোম্পানিগুলো নিয়মিত তেল সরবরাহ করছে না। পাশাপাশি সরবরাহের ক্ষেত্রে মুনাফাও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ কারণে বিভিন্ন পাইকারি বাজার থেকে নিজেদের উদ্যোগে তেল সংগ্রহ করে বিক্রি করতে হচ্ছে। ফলে নির্ধারিত খুচরা মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

Advertisements