বিয়ের গহনা চুরির অভিযোগে নববধূ গ্রেপ্তার, দাবি ‘অপমানিত হয়ে চলে গেছি’

তুরস্কের পূর্বাঞ্চলীয় মুগলা প্রদেশের মিলাসে বিয়েতে পাওয়া গহনা ও নগদ অর্থ নিয়ে চলে যাওয়ার অভিযোগে এক নববধূকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) তুরস্কের সংবাদমাধ্যম তোলো নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া নারীর নাম মামুরা কালপুনোভা। তিনি উজবেকিস্তানের নাগরিক। মুস্তফা আতেসোগলোর সঙ্গে তার বিয়ে হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, নববধূর পরিবার বিয়ের আয়োজন করতে প্রায় ১ কোটি তুর্কি লিরা খরচ করে। তিন দিন ও তিন রাত ধরে চলে বিয়ের বিভিন্ন অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে নববধূকে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ লাখ লিরা মূল্যের স্বর্ণালংকার উপহার দেওয়া হয়।
তবে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পরদিনই স্বামীর বাড়ি থেকে চলে যান মামুরা। এরপর স্বামীর পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশের কাছে অভিযোগ করা হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা গহনা চুরির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওই নারী। তার দাবি, বিয়েতে পাওয়া সব গহনা তিনি সঙ্গে নেননি। বিয়ের পরপরই তার স্বামী তাকে হুমকি ও অপমান করেন। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি মায়ের বাড়িতে চলে যান।
মামুরা জানান, মায়ের বাড়িতে যাওয়ার সময় তিনি ২০টি সোনার কয়েন ও নগদ ২ লাখ ২৬ হাজার তুর্কি লিরা সঙ্গে নিয়েছিলেন। বাকি স্বর্ণালংকার তার শ্বশুরের কাছে রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
পরে যে বাড়ি থেকে ওই নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়, সেখানে তল্লাশি চালায় পুলিশ। তবে অভিযানে বাড়িটি থেকে আর কোনো গহনা উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং বিয়ের গহনা ও অর্থের বিষয়ে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে তদন্ত অব্যাহত রেখেছে তুরস্কের পুলিশ।



