বিশ্ববাজারে কমেছে সোনার দাম, বেড়েছে তেলের মূল্য

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি কার্যকর নেই বলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের পর বিশ্ববাজারে নতুন করে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। এর প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়লেও কমেছে সোনাসহ অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দাম।
বুধবার (নিউইয়র্ক সময়) স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স সোনার দাম ১ দশমিক ৯১ শতাংশ কমে ৪ হাজার ৬৬ দশমিক ৩৯ ডলারে নেমে আসে। একই সঙ্গে আগস্ট সরবরাহযোগ্য যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারের দাম ১ দশমিক ৮ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৮২ দশমিক ৪০ ডলারে স্থির হয়।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা নতুন করে বাড়ার পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি ও যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার আরও বাড়তে পারে—এমন আশঙ্কাই সোনার বাজারে চাপ তৈরি করেছে। ফেডারেল রিজার্ভের সর্বশেষ বৈঠকের কার্যবিবরণীতেও মূল্যস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগের কথা উঠে এসেছে। বর্তমানে বাজারের ধারণা, সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার বাড়ার সম্ভাবনা ৬৯ শতাংশে পৌঁছেছে।
অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের কারণে তেলের সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। বৃহস্পতিবার লন্ডনের বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের সেপ্টেম্বর ফিউচারের দাম প্রতি ব্যারেলে ১ শতাংশ বেড়ে ৭৮ দশমিক ৮০ ডলারে পৌঁছেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) আগস্ট ফিউচারের দাম ১ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৭৪ দশমিক ২৬ ডলারে উঠেছে।
এদিকে রুপা, প্লাটিনাম ও প্যালাডিয়ামসহ অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও কমেছে। বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে, যার প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতি ও পণ্যমূল্যের ওপরও পড়বে।



