বাংলাদেশের অন্যতম নারী বিষয়ক ম্যাগাজিনমঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬
নারী

তরুণ গবেষক মারজানার বিশ্বজয়, এশিয়ান সায়েন্টিস্ট ১০০ তালিকায় নাম

WhatsApp Image 2026-05-26 at 1.46.37 PM

এশিয়ার সেরা গবেষকদের স্বীকৃতি দেওয়া ‘এশিয়ান সায়েন্টিস্ট ১০০’ তালিকায় জায়গা পেয়েছেন বাংলাদেশি গবেষক মারজানা আক্তার। ২০২৬ সালের এই সম্মানজনক তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন তিনি।

মারজানা আক্তার বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন তরুণ গবেষক। গবেষণায় অসামান্য অবদান এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বৈজ্ঞানিক সক্ষমতার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি এই সম্মান অর্জন করেছেন।

এর আগে তিনি ২০২৫ সালের জাতিসংঘের ‘ইয়াং উইমেন ফর বায়োসিকিউরিটি ফেলোশিপ’-এ নির্বাচিত প্রথম বাংলাদেশি নারী গবেষক হিসেবে স্বীকৃতি পান। একই সঙ্গে তিনি এশিয়ান সায়েন্টিস্ট ১০০ তালিকায় স্থান পাওয়া সর্বকনিষ্ঠ বাংলাদেশি গবেষক হিসেবেও পরিচিতি পেয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক আবেগঘন পোস্টে তার এই অর্জনের খবর জানান স্বামী ইউশা আরাফ। তিনি লেখেন, মারজানার দীর্ঘদিনের পরিশ্রম, একাগ্রতা ও নীরব অধ্যবসায়ের ফল আজকের এই সাফল্য। তার ভাষায়, ‘তুমি শুধু পরিবার নয়, পুরো বাংলাদেশকেই গর্বিত করেছ’।

‘এশিয়ান সায়েন্টিস্ট ১০০’ তালিকাটি ২০১৬ সাল থেকে প্রকাশিত হয়ে আসছে। এশিয়ার বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানী ও গবেষকদের বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার, আন্তর্জাতিক পুরস্কার, গবেষণায় নেতৃত্ব এবং সমাজে প্রভাবের ভিত্তিতে এই তালিকা তৈরি করা হয়। বিজ্ঞান, চিকিৎসা, প্রযুক্তি, পরিবেশ ও জীববিজ্ঞানের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা গবেষকেরাই এখানে স্থান পান।

বাংলাদেশি নারী বিজ্ঞানীদের জন্যও এই অর্জন বিশেষ অনুপ্রেরণার। এর আগে ২০২১ সালে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিজ্ঞানী ড. ফিরদৌসী কাদরী এবং ২০২৩ সালে গবেষক ড. সেঁজুতি সাহা এশিয়ান সায়েন্টিস্ট ১০০ তালিকায় জায়গা পেয়েছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় এবার যুক্ত হলো মারজানা আক্তারের নাম।

এবারের তালিকায় বাংলাদেশের আরও দুই গবেষক— বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব টেক্সটাইলসের ড. মোহাম্মদ আব্বাস উদ্দিন শিয়াক এবং আইসিডিডিআর,বি’র নির্বাহী পরিচালক ড. তাহমিদ আহমেদও স্থান পেয়েছেন।

১০০এশিয়ানবিশ্বজয়মারজানাসায়েন্টিস্ট