বাংলাদেশের অন্যতম নারী বিষয়ক ম্যাগাজিনসোমবার, ১৮ মে, ২০২৬
বিবিধ

জুলাই সনদ ও গণভোট অধ্যাদেশের রুল শুনানির দিন নির্ধারণ

image-97286-1669882571

সংবিধান সংস্কার (জুলাই জাতীয় সনদ) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং ২০২৫ সালের গণভোট অধ্যাদেশের ৩ ধারা ও তফসিল প্রশ্নে রুল শুনানির জন্য আগামী ১৭ জুন দিন নির্ধারণ করেছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি রাজিক-আল-জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ সোমবার এ দিন নির্ধারণ করেন।

জামায়াতে ইসলামী ও দলটি থেকে নির্বাচিত ৬৬ জন সংসদ সদস্যের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির জানিয়েছেন, রুল শুনানির জন্য ১৭ জুন নির্ধারণ করা হয়েছে। তারা গত সপ্তাহে রিটে ব্যক্তিগতভাবে বিবাদী হিসেবে পক্ষভুক্ত হয়েছেন বলে জানান তিনি।

এদিকে পৃথক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে করা মামলায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) বিবাদী হিসেবে পক্ষভুক্ত হওয়ার আবেদন করেছে বলে জানিয়েছেন দলটির আইনবিষয়ক সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মুসা। বিষয়টি বর্তমানে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী চৌধুরী মো. রেদোয়ান-ই-খোদা গত ২৩ ফেব্রুয়ারি জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং ২০২৫ সালের গণভোট অধ্যাদেশের ৩ ধারা ও তফসিলের বৈধতা নিয়ে একটি রিট করেন।

জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং এর আওতায় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথের জন্য দেওয়া চিঠির বৈধতা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে একটি রিট করেন আইনজীবী গাজী মো. মাহবুব আলম। পরে গত ৩ মার্চ হাইকোর্ট এ বিষয়ে রুল জারি করেন।

রুলে জানতে চাওয়া হয়, ২০২৫ সালের গণভোট অধ্যাদেশের ৩ ধারা ও তফসিল কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হবে না। এছাড়া সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলোকে চার সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়। অপর রিটে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ও সংসদ সদস্যদের শপথ সংক্রান্ত চিঠির বৈধতা নিয়েও রুল জারি করা হয়। এতে এসব উদ্যোগ কেন সংবিধানবিরোধী নয় এবং আইনগত কর্তৃত্বের মধ্যে রয়েছে কি না, তা ব্যাখ্যা করতে বলা হয়েছে।

দুই আইনজীবীর করা পৃথক দুটি রিট আজ আদালতের কার্যতালিকায় ৪ ও ৫ নম্বর ক্রমিকে ওঠে। এরপর হাইকোর্ট রুল শুনানির জন্য নির্ধারিত তারিখ ঘোষণা করেন। এর মধ্য দিয়ে পৃথক রিটের ভিত্তিতে জারি হওয়া রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শুরু হতে যাচ্ছে।

অধ্যাদেশজুলাই সনদরিটশুনানিহাইকোর্ট