‘নটিং হিল’, প্রেম যখন দরজায় কড়া নাড়ে
নটিং হিল Notting Hill (১৯৯৯) হলো এমন এক রোমান্টিক সিনেমা, যেটা দেখলে মনে হবে—ভালোবাসা সত্যিই সবচেয়ে অপ্রত্যাশিত জায়গা থেকেই আসে। সিনেমাটার সেটিং লন্ডন...

নটিং হিল Notting Hill (১৯৯৯) হলো এমন এক রোমান্টিক সিনেমা, যেটা দেখলে মনে হবে—ভালোবাসা সত্যিই সবচেয়ে অপ্রত্যাশিত জায়গা থেকেই আসে। সিনেমাটার সেটিং লন্ডনের সুন্দর, রঙিন এলাকা, যেখানে ছোট ছোট বাড়ি, বুকশপ, আর ক্যাফেগুলো একেবারে গল্পের মতো পরিবেশ তৈরি করে দেয়।

এই সিনেমার প্রধান চরিত্রে আছেন—হিউ গ্র্যান্ট (উইলিয়াম থ্যাকার): একদম সাধারণ, ভদ্র, একটু লাজুক একটা বুকশপ মালিক। জুলিয়া রবার্টস (এনা স্কট): পৃথিবীজোড়া জনপ্রিয় একজন হলিউড সুপারস্টার।
জুলিয়া রবার্টস এখানে এমন চরিত্রে অভিনয় করেছেন যিনি জনপ্রিয় এক তারকা হয়েও একা, সাধারণ সুখের জন্য তৃষ্ণার্ত। অন্যদিকে হিউ গ্রান্টের চরিত্রটা এতটাই কিউট ও বাস্তব যে তাকে ভালো না লেগে উপায় নেই।

গল্প শুরু হয় একদম সাধারণভাবে—উইলিয়াম তার ছোট বুকশপে বই বিক্রি করে দিন কাটায়। হঠাৎ একদিন দোকানে ঢুকে পড়ে বিশ্বের সবচেয়ে বিখ্যাত অভিনেত্রী এনা স্কট।
এখানেই গল্প জমে যায়, কারণ একজন সুপারস্টার আর একজন সাধারণ বুকশপ মালিক—এই দুইজনের জীবনের পার্থক্য আকাশ-পাতাল। মিডিয়া, পাপারাজ্জি, ফ্যানদের চাপ, তারকাখ্যাতির ঝড়… সবকিছুর মাঝেও ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে তৈরি হয় এক অদ্ভুত সুন্দর সম্পর্ক।
আর মজার ব্যাপার হলো—উইলিয়ামের বন্ধুদের গ্রুপটা একেবারে হাসির ফোয়ারা! তাদের কথাবার্তা আর পরিস্থিতি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে আপনি প্রেমের পাশাপাশি কমেডির স্বাদও পুরোপুরি পাবেন।

একদম সফট, রোমান্টিক, ফিল-গুড সিনেমা। লন্ডনের Notting Hill এলাকার সুন্দর ভিজ্যুয়াল জুলিয়া রবার্টসের-এর স্টার পাওয়ার সঙ্গে হিউ গ্র্যান্ট-এর চার্মিং হাসি। প্রেম, কষ্ট আর আশার পারফেক্ট কম্বিনেশন। যদি আপনি রোমান্টিক মুভি ভালোবাসেন এবং সফট ভালো লাগার অনুভূতি চান তবে আজই দেখে ফেলুন ‘নটিং হিল’।


