আপিলের পরও সংরক্ষিত একটি আসনে প্রার্থী না থাকলে যা হবে

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত ৫০টি আসনের বিপরীতে ৪৯ জন প্রার্থীর মনোনয়ন প্রাথমিক বাছাইয়ে বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা মঈন উদ্দীন খান জানান, প্রাথমিক বাছাইয়ে বিএনপির দাখিল করা ৩৬ জন প্রার্থী এবং একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের ১৩ জন প্রার্থীর মধ্যে ১২ জনের মনোনয়নপত্র প্রাথমিকভাবে বৈধ হলেও বাতিল হয়েছে এনসিপি নেত্রী মনিরা শারমিনের মনোনয়ন।
সরকারি চাকরি থেকে অব্যাহতির পর তিন বছর পেরোনোর আগে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচন করা যাবে না, মূলত এই নিয়মের কারণেই তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। আইন অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীর কমিশনে আপিলের সুযোগ রয়েছে। তবে সেখানেও তার মনোনয়ন বৈধ না হলে ওই আসনে পরবর্তীতে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
“কমিশনে ওই প্রার্থীর আবেদনের সুযোগ রয়েছে। তিনি আবেদন করবেন বলেও আমাদের জানিয়েছেন। আইন অনুযায়ী কোনো আসনে প্রার্থী না থাকলে সেখানে পরবর্তীতে উপ-নির্বাচন হবে। সেক্ষেত্রে আসনটি তখন সব দলের জন্য উন্মুক্ত হয়ে যাবে,” জানান রিটার্নিং কর্মকর্তা মঈন উদ্দীন খান। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, প্রাথমিক বাছাইয়ে মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীরা ২৬শে এপ্রিল নির্বাচন কমিশনে আপিল করার সুযোগ পাবেন। নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ই মে।



