বাংলাদেশের অন্যতম নারী বিষয়ক ম্যাগাজিনশুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬
নারী

৩৬ সংরক্ষিত নারী আসনের বিপরীতে আবেদন পাঁচ শতাধিক

লললল

আগামী ১২ মে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন হবে। জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন ৫০টি। নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী প্রতি ছয়জন সাধারণ আসনের বিপরীতে একটি করে সংরক্ষিত আসন বণ্টন করা হবে। সেই হিসেবে বিএনপি জোটের ভাগে ৩৬টি আসন পড়ছে বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে। বাকি আসনগুলোর মধ্যে জামায়াত জোট ১৩টি এবং স্বতন্ত্ররা একটি আসন পেতে পারেন। সংরক্ষিত আসনে লড়তে আগ্রহী প্রার্থীরা এরই মধ্যে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ভিড় জমাচ্ছেন। শুক্রবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু হয়েছে, যা চলবে রবিবার (১২ এপ্রিল) পর্যন্ত। প্রথম দিনেই ৫০০-এর বেশি ফরম বিক্রি হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এর আগে কোনো ঘোষণা ছাড়াই প্রায় সাত শতাধিক নেত্রী আগাম আবেদন জমা দিয়ে রেখেছিলেন।

নির্বাচন সামনে রেখে প্রার্থীরা নিজেদের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ও ত্যাগের খতিয়ান তুলে ধরছেন নীতিনির্ধারকদের কাছে। বিশেষ করে বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় থাকা, কারাভোগ ও সাংগঠনিক দক্ষতার বিষয়গুলো তারা গুরুত্বের সাথে তুলে ধরছেন। সাবেক ছাত্রনেত্রী থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি ও মহিলা দলের শীর্ষ নেত্রীরা এই দৌড়ে শামিল হয়েছেন। অনেক প্রার্থী দলের হাইকমান্ড ও জ্যেষ্ঠ নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। কেউ কেউ জাতীয় সংসদ এলাকায় গিয়েও নীতিনির্ধারকদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এবার মনোনয়নের ক্ষেত্রে নবীন ও প্রবীণের সমন্বয় করার পরিকল্পনা রয়েছে বিএনপির। অভিজ্ঞ নেত্রীদের পাশাপাশি উচ্চশিক্ষিত, রাজনৈতিকভাবে সচেতন এবং ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে আসা তরুণীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হতে পারে। পার্লামেন্টারি বোর্ড সব দিক বিচার-বিশ্লেষণ করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। বিশেষ করে যারা দুর্দিনে মাঠে ছিলেন এবং যাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও সংসদীয় কাজে দক্ষতা রয়েছে, তারাই অগ্রাধিকার পাবেন। মনোনয়ন প্রত্যাশীরাও আশা করছেন, যোগ্যতার সঠিক মূল্যায়ন করে দলের হাইকমান্ড তাদের ওপর আস্থা রাখবে।

বিএনপিমনোয়নসংরক্ষিত নারী আসনসংসদ নির্বাচন