বাংলাদেশের অন্যতম নারী বিষয়ক ম্যাগাজিনশুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬
নারী

শহীদ মিনারে বিএনপির বাধার মুখে রুমিন ফারহানা, ফিরে গেলেন ফুল না দিয়েই

শহীদ মিনারে বিএনপির বাধার মুখে রুমিন ফারহানা, ফিরে গেলেন ফুল না দিয়েই

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে বাধার মুখে পড়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। তিনি ভাষাসৈনিক ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক অলি আহাদের মেয়ে।

শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে স্থানীয় শহীদ মিনার এলাকায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

এই খবর ছড়িয়ে পড়লে রাত সাড়ে ১২টার দিকে তার সমর্থকেরা সরাইলের শাহবাজপুর এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। প্রায় এক ঘণ্টা সড়ক বন্ধ থাকায় সাধারণ যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল দিবাগত রাত ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে কয়েকশ সমর্থক নিয়ে সরাইল উপজেলা সদরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে পৌঁছান রুমিন ফারহানা। রাত ১২টা ১ মিনিটে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য অপেক্ষা করার সময় উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মাস্টারের নেতৃত্বে কিছু নেতা-কর্মী সেখানে উপস্থিত হয়ে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে শুরু করেন।

একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি শুরু হলে শহীদ মিনারের বেদীর ওপর বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। এ সময় রুমিন ফারহানার আনা পুষ্পস্তবকটি ছিঁড়ে ফেলা হয়।

বিশৃঙ্খলার মধ্যে অনেককেই জুতা পায়ে বেদীতে উঠতে দেখা যায়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন না করেই পুলিশের নিরাপত্তায় এলাকা ত্যাগ করেন রুমিন ফারহানা।

ঘটনার বিষয়ে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, ‘পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে পরিকল্পিতভাবে এই হামলার চেষ্টা চালানো হয়েছে। বিএনপি যদি এখনই মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণ না করে, তবে এর পরিণাম ভয়াবহ হবে।’

তিনি আরও জানান, এই ন্যক্কারজনক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মামলার প্রস্তুতি চলছে। এ সময় আব্দুল আহাদ নামে তার এক আহত কর্মীর অবস্থাও তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে তুলে ধরেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শাহ মোহাম্মদ আব্দুর রউফ বলেন, ‘শহীদ মিনারে দুই পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ও স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

নারীনির্বাচনরাজনীতি