বিসিবির আনুষ্ঠানিক ঘোষণায়: নারী বিপিএল

নারী ক্রিকেটারদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার অবসান ঘটতে যাচ্ছে অবশেষে। আশ্বাস দেওয়ার পরও বাস্তবায়ন না হওয়া প্রতিশ্রুতির পর এবার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এলো। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) জানিয়েছে, আয়োজন করা হবে নারী বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (ডব্লিউবিপিএল) ।বাংলাদেশে নারী ক্রিকেটারদের জন্য এটিই হতে যাচ্ছে প্রথম ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টুর্নামেন্ট, যা দেশের নারী ক্রিকেটে নতুন দিগন্তের সূচনা করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানিয়েছে, ‘উদ্বোধনী আসরে তিনটি ফ্র্যাঞ্চাইজি দল অংশ নেবে, যেখানে জাতীয় দলের শীর্ষ ক্রিকেটারদের পাশাপাশি উদীয়মান প্রতিভাদের সমন্বয় ঘটবে। দলের ভারসাম্য, শক্তি ও গভীরতা নিশ্চিত করতে ড্রাফট পদ্ধতির মাধ্যমে স্থানীয় খেলোয়াড়দের নির্বাচন করা হবে।’ দলগুলো চাইলে বিদেশি ক্রিকেটারদেরও আনতে পারবে। তবে বিদেশি ক্রিকেটার কতজন নেওয়া যাবে, ফ্র্যাঞ্চাইজি কীভাবে বাছাই করা হবে—এসব এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
নারী বিপিএলের সফল আয়োজনের লক্ষ্যে একটি গভর্নিং কাউন্সিল গঠন করা হয়েছে। বিসিবি পরিচালক ও নারী বিভাগের প্রধান রুবাবা দৌলা ডব্লিউবিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের প্রধানের দায়িত্ব পেয়েছেন। বাংলাদেশে নারী ক্রিকেটের সামগ্রিক উন্নয়নে এই টুর্নামেন্ট সহায়ক হবে বলে মনে করেন রুবাবা দৌলা। বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটাররা খুব ভালো খেলছে জানালেন তিনি। উল্লেখ্য, গত বছরের ৩০ নভেম্বর পুরুষদের বিপিএল নিলামের উদ্বোধনী ভাষণে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল এই নারী বিপিএল আয়োজনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
বিসিবি জানিয়েছে, টুর্নামেন্ট সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য (ভেন্যু, সম্প্রচার ও টুর্নামেন্টের পূর্ণাঙ্গ সূচি) পরবর্তীতে যথা সময়ে জানানো হবে।
জাতীয় দলের অধিনায়ক নিগার সুলতানা মেয়েদের বিপিএল আয়োজনের দাবি পূরণ হওয়ায় খুশি। তিনি বলেন, ‘বেশ কয়েক বছর ধরে কথা হচ্ছিল মেয়েদের বিপিএল হবে। গত বছর তো হতে হতে হয়নি। এবার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এসেছে শুনে অনেক বেশি ভালো লাগছে।’



