আইনজীবী হয়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখতে চান সাকিবা তুশমি

ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের অধীনে আইন বিষয়ে পড়ছেন শাকিবা হাসান তুশমি। বাবা এম এম শাব্বির হাসান দুর্নীতি দমন কমিশনে কর্মরত, মা সাবিহা সুলতানা বর্না একজন ব্যবসায়ী ও সমাজের পিছিয়ে পড়া নারীদের উন্নয়নে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন। আইনে গ্র্যাজুয়েশন শেষে ব্যারিস্টার হয়ে সমাজের প্রতিটি স্তরে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখতে চান তুশমি। নারী, শিশু, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য বিশেষভাবে কাজ করার লক্ষ্য রয়েছে তার। নিজের পরিচয় গড়ে ভবিষ্যতে রাজনীতিতেও যুক্ত হতে চান তিনি।
বাবার পেশাগত কারণে দেশের বিভিন্ন জেলায় থাকার পর ২০০৬ সালে স্কলাস্টিকায় পড়াশোনা শুরু করেন তুশমি। ২০২০ সালে ও-লেভেল এবং ২০২২ সালে এ-লেভেল সম্পন্ন করেন। সম্প্রতি তিনি এলসিএলএস (ন) এর মাধ্যমে ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের অধীনে এলএলবি (অনার্স) দ্বিতীয় বর্ষ শেষ করেছেন।
কেন আইন পড়া?
শুরুতে তুশমির স্বপ্ন ছিল অ্যারোনটিকাল ইঞ্জিনিয়ার হওয়া। তবে পরিবেশ ও বাস্তব অভিজ্ঞতা তাকে আইন বিষয়ে ঝুঁকতে উদ্বুদ্ধ করে। ন্যায়বিচারের অভাবে মানুষের অসহায়তা এবং রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার অপব্যবহারের ঘটনা তাকে ব্যারিস্টার হওয়ার সংকল্পে দৃঢ় করে। তার ভাষায়, “সমাজের প্রতিটি স্তরে ন্যায়বিচার পৌঁছে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা থেকেই আমি আইন পড়ছি।”
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
তুশমি আইন বিষয়ে সর্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জন করে সমাজের সব শ্রেণির মানুষের জন্য আইনের সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে চান। প্রতিষ্ঠিত আইনজীবী হয়ে রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার ইচ্ছাও রয়েছে তার। বিশেষ করে নারী, শিশু, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তিনি কাজ করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তার বিশ্বাস, “একজন নারীর শিক্ষাগত যোগ্যতা ও আর্থিক স্বাবলম্বিতা আত্মপরিচয় তৈরি করে।”



