বাংলাদেশের অন্যতম নারী বিষয়ক ম্যাগাজিনমঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬
নারী

নেপালে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি

susila

নেপালের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন সুশীলা কার্কি। গতকাল শুক্রবার নেপালের প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পৌডেল সংবিধানের ৬১ অনুচ্ছেদের আওতায় এই নিয়োগ চূড়ান্ত করেন। নেপালের স্থানীয় সময় শুক্রবার রাত নয়টার দিকে সুশীলা কার্কি শপথ নেন। 

নেপালের সুপ্রিম কোর্টের প্রথম নারী প্রধান বিচারপতি ছিলেন তিনি। ২০১৫ সালে নেপালের নতুন সংবিধান ঘোষণার পর প্রথমবারের মতো কোনো প্রধানমন্ত্রীকে ৬১ অনুচ্ছেদের আওতায় নিয়োগ দেওয়া হলো। এই অনুচ্ছেদ প্রেসিডেন্টকে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে কাজ করার এবং সাংবিধানিক ও ফেডারেল আইনের অধীনে দায়িত্ব পালনের ক্ষমতা দেয়।

দ্য হিমালয়ান টাইমসের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, প্রেসিডেন্টের দপ্তরে শীতল নিবাসে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানকে নিয়োগের ব্যাপারে আলোচনা হয়। প্রেসিডেন্টের দপ্তরের গণমাধ্যম উপদেষ্টা কিরণ পোখরেল জানান, সংসদ ভেঙে দেওয়া ও নির্দলীয় প্রশাসন গঠনের ব্যাপারে জেন-জিদের যে দাবি ছিল সেটিও পূরণ হয়েছে।

এর আগে ছাত্র-জনতার বিক্ষোভের মুখে গত বুধবার পদত্যাগ করেন দেশটির প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা কে পি শর্মা অলি। বেশ কয়েকজন মন্ত্রীও পদত্যাগ করেন। এরপর থেকে নেপালে প্রশাসনিক শূন্যতা তৈরি হয়। শুরুতে কাঠমান্ডুর মেয়র বালেন্দ্র শাহকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চেয়ে অনেক বিক্ষোভকারী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দেন। তবে সুশীলা কার্কির নাম আলোচনায় এলে বালেন্দ্র শাহও তাঁকে সমর্থন দেন।

নেপালের নবগঠিত অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) এক বার্তায় প্রধান উপদেষ্টা এ অভিনন্দন জানান। প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। অভিনন্দন বার্তায় প্রধান উপদেষ্টা নেপালের জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতিফলন হিসেবে সুশীলা কার্কির দায়িত্ব নেওয়ার প্রশংসা করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে নেপাল শান্তি, উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার পথে অগ্রসর হবে। এছাড়াও তিনি দুই দেশের গভীর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যাশা জানান।