বাংলাদেশের অন্যতম নারী বিষয়ক ম্যাগাজিনশুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬
স্পটলাইট

অনূর্ধ্ব -১৭ সাফের লক্ষ্য ইতিহাস গোড়া

arpita

বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের সাফল্যের গল্প শুরু হয়েছিল ২০১৭ সালে সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ শিরোপা দিয়ে। এরপর একে একে অনূর্ধ্ব-২০ ট্রফিসহ প্রায় বেশ কয়েকটি শিরোপা জিতেছেন। তবে এখনো বাকি আছে অনূর্ধ্ব-১৭ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। এ বছর ভুটানের থিম্পুতে হবে অনূর্ধ্ব-১৭ নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। এবার তাদের লক্ষ্য পূরণের অপেক্ষা।

আগামী ২০ থেকে ৩১ আগস্ট বাংলাদেশ, ভারত, ভুটান ও নেপাল এই চারটি দেশ রাউন্ড রবিন পদ্ধতিতে মুখোমুখি হবে। প্রতিটি দল দুইটি করে ম্যাচ খেলবে একে অপরের বিপক্ষে। সর্বাধিক পয়েন্ট পাওয়া দলই পাবে কাঙ্ক্ষিত সেই ট্রফি।

বাংলাদেশ দল ইতিমধ্যেই শিরোপাধারী। গতবার নেপালে অনূর্ধ্ব-১৬ পর্যায়ে শিরোপা জিতেছিল মেয়েরা। এবার অধিনায়ক অর্পিতা বিশ্বাস ও ইয়ারজানের নেতৃত্বে সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখার প্রত্যয় নিয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশ দল। যাওয়ার আগে অর্পিতা বলেন, “আমাদের প্রস্তুতি ভালো। পুরনো ও নতুনদের সমন্বয়ে দলটা শক্তিশালী হয়েছে। প্রতিটি ম্যাচ জেতার লক্ষ্য নিয়েই যাচ্ছি।”

২০ আগস্ট ভুটানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে নামবে বাংলাদেশ। এরপর ২২ আগস্ট ভারতের মুখোমুখি হবে। নেপালের সঙ্গে লড়াই দুটি। ২৪ ও ২৭ আগস্ট এর পরের দুই ম্যাচেরই প্রতিপক্ষ নেপাল। আবার ২৯ আগস্ট ভুটান এবং ৩১ আগস্ট শেষ ম্যাচ হবে ভারতের বিপক্ষে। সবগুলো ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে থিম্পুর চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামে।

সাফের বয়সভিত্তিক নারী ফুটবলে বিভিন্ন সময়ে বয়সের সীমার পরিবর্তন হয়েছে। এটি মুলত নির্ভর করে এএফসির বাছাইপর্বের উপর। বাছাইপর্বের আগে এটা করা হয় যাতে দলগুলো সেভাবে প্রস্তুত থাকতে পারে।

বাংলাদেশের সাফল্যের ধারাবাহিকতা

২০১৭ থেকে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের ঝুলিতে উঠেছে নয়টি সাফ ট্রফি। এর মধ্যে সাতটি বয়সভিত্তিক পর্যায়ে আর দুটি এসেছে সিনিয়র সাফে। যার প্রথমটি ২০২২ সালে। সাবেক কোচ গোলাম রব্বানীর হাত ধরে এসেছে বেশির ভাগ শিরোপা। তিনি সরে দাঁড়ানোর পরে দায়িত্ব পান সাইফুল বারী। আর ২০২৪ সালের মার্চে কোচ হন পিটার বাটলার। তাঁর অধীনেও সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেখেছে। বাটলার বলেন, “শিরোপার সংখ্যা নয়, মেয়েদের অগ্রগতি আমাকে আনন্দ দেয়। তারা সঠিক পথে এগোচ্ছে, সাফল্য আসবেই।”

সাবেক কোচ গোলাম রব্বানী বলেন, “বড়দের মতো ছোটদের কাছ থেকেও ভালো কিছু আশা করা যায়।” অর্পিতা, প্রীতি, আলফি কিংবা গোলকিপার ইয়ারজানের মতো প্রতিশ্রুতিশীল ফুটবলারদের হাত ধরে এবার হয়তো পূর্ণ হবে বাংলাদেশের মেয়েদের সেই লক্ষ্য।