শিশু শান্তি পুরস্কারে মনোনীত বাংলাদেশি প্রিয়াংকা

শিশু শান্তি পুরস্কারে মনোনীত বাংলাদেশি প্রিয়াংকা
ছবি:সংগৃহীত
২০২০ সালে আন্তর্জাতিক শিশু শান্তি পুরস্কার পেয়েছিল বাংলাদেশি কিশোর সাদাত রহমান। যা এর আগে পেয়েছিল পাকিস্তানের নোবেল বিজয়ী মালালা ইউসুফজাই।

বিশ্ব শান্তি রক্ষার জন্য বিভিন্ন সময়ে বিশ্বনেতারা বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে থাকেন। কিছু ক্ষেত্রে বিষয়টি আমাদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে আসে। মানব শিশু অনুকরণ করেই সকল কিছু রপ্ত করে নেয়। শিশুদেরকে এই বিষয়ে উদ্যোগী করে তোলার জন্য প্রতি বছরেই শিশু শান্তি রক্ষা বিষয়ে পুরষ্কার প্রদান করা হয়। আগের বছরের সাদাত রহমানের ধারাবাহিকতায় এবারো বাংলাদেশের এক তরুণী এই বিষয়টিতে মনোনীত হয়েছে।


২০২০ সালে আন্তর্জাতিক শিশু শান্তি পুরস্কার পেয়েছিল বাংলাদেশি কিশোর সাদাত রহমান। যা এর আগে পেয়েছিল পাকিস্তানের নোবেল বিজয়ী মালালা ইউসুফজাই।


আন্তর্জাতিক শিশু শান্তি পুরস্কার-২০২১ এর জন্য মনোনীত হয়েছে সিরাজগঞ্জের মেয়ে প্রিয়াংকা ভদ্র। তাকে এ পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন দিয়ে নেদারল্যান্ড সরকারের পিস রাইটস কমিটির কাছে সুপারিশ পাঠানো হয়েছে। শিশুদের জন্য এটি নোবেল পুরস্কার নামে পরিচিত। শুক্রবার (৮ অক্টোবর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন প্রিয়াংকার বড় ভাই দীপংকর ভদ্র দীপ্ত।


তিনি বলেন, সকালে কিডস রাইটস ফাউন্ডেশনের ওয়েব সাইট থেকে এ ব্যাপারে জানতে পেরেছি। প্রিয়াংকা ‘লিঙ্গ বৈষম্য’ বিষয়ে পুরস্কারটির জন্য আবেদন করেছিল। সিরাজগঞ্জ শহরের দরগা রোড মহল্লার দীপক কুমার ভদ্রের মেয়ে প্রিয়াংকা। বর্তমানে সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী।


২০১৬ সাল থেকে বাংলাদেশ ন্যাশনাল চাইল্ড পার্লামেন্টের (বিএনসিপি) সঙ্গে যুক্ত প্রিয়াংকা। এছাড়াও সে সিরাজগঞ্জ প্রদেশের ডেপুটি স্পিকার ও ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে যুক্ত রয়েছে ন্যাশনাল চাইল্ড টাস্কফোর্সের (এনসিটিএফ) সঙ্গে। প্রিয়াংকা একজন শিশু সাংবাদিকও। ২০১৭ সাল থেকে কিশোর গোয়েন্দা ম্যাগাজিন ও শিশু বার্তার সঙ্গে যুক্ত ছিল। বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ রক্ষায়ও সোচ্চার প্রিয়াংকা।


এই অর্জন আগামীর নারীদেরকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করবে। প্রান্তিক নারীদের মনে অংশগ্রহণ করার মনোভাব সৃষ্টি করবে প্রিয়াংকার মনোনীত হওয়ার ব্যাপারটি। প্রিয়াংকার মতো লাখো তরুণীর অদম্য ইচ্ছায় এক সম্ভাবনার দাড়ে অবস্থান করছে আজকের বাংলাদেশ। প্রিয়াংকা তার রাজমুকুট ধরে রেখে ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে এমনটাই প্রত্যাশা সকল নব নারী কণ্ঠের।