৮ নভেম্বর, ২০২৬ | রবিবারবাংলা: ২৩ কার্তিক ১৪৩৩
জীবনযাপন

রাতে ঘুমানোর আগে এলাচ খেলে কী কী উপকার মিলতে পারে?

1608517283_5fe006a367aab_8

রান্নায় সুগন্ধ ও স্বাদ বাড়াতে এলাচের ব্যবহার বেশ পরিচিত। তবে শুধু খাবারের স্বাদ বাড়ানোই নয়, মুখের সতেজতা বজায় রাখা এবং হজমের পর অস্বস্তি কমাতেও এলাচ কিছুটা সহায়ক হতে পারে। বিশেষ করে রাতের খাবারের পর ছোট একটি এলাচ চিবিয়ে খাওয়ার অভ্যাস অনেকের কাছে বেশ স্বস্তিদায়ক।

সংগৃহীত

এলাচে রয়েছে সুগন্ধি প্রাকৃতিক উপাদান। এর স্বাদ ও ঘ্রাণ মুখে সতেজ অনুভূতি এনে দিতে পারে। ঘুমাতে যাওয়ার আগে অল্প পরিমাণে এলাচ খেলে যেসব সুবিধা পাওয়া যেতে পারে, সেগুলো হলো—

হজমের অস্বস্তি কমাতে সহায়ক

রাতের খাবার খাওয়ার পর অনেকের পেট ভার লাগা, গ্যাস বা অস্বস্তির মতো সমস্যা দেখা দেয়। এলাচের সুগন্ধি উপাদান হজমের পর স্বস্তি পেতে কিছুটা সহায়তা করতে পারে বলে ধারণা করা হয়। খাবারের পর একটি এলাচ চিবিয়ে খেলে মুখের স্বাদ বদলানোর পাশাপাশি সতেজ অনুভূতিও হতে পারে। তবে হজমের সমস্যা দূর করার নিশ্চিত উপায় হিসেবে এলাচের ওপর নির্ভর করা ঠিক নয়।

মন সতেজ রাখতে পারে

এলাচের বিশেষ ঘ্রাণ অনেকের কাছে প্রশান্তিদায়ক ও সতেজ অনুভূতির কারণ হতে পারে। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এর স্বাদ ও সুগন্ধ উপভোগ করলে দিনের ক্লান্তির পর কিছুটা আরাম অনুভূত হতে পারে। তবে এলাচ খেলে ঘুম ভালো হবে বা অনিদ্রা দূর হবে—এমন দাবির পক্ষে পর্যাপ্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।

মুখের দুর্গন্ধ কমাতে সাহায্য করে

এলাচের অন্যতম পরিচিত ব্যবহার হলো প্রাকৃতিক মাউথ ফ্রেশনার হিসেবে। এর নিজস্ব সুগন্ধ মুখে থাকা খাবারের গন্ধ সাময়িকভাবে ঢাকতে পারে। রাতের খাবারের পর মুখে দুর্গন্ধ অনুভূত হলে একটি এলাচ চিবিয়ে খাওয়া যেতে পারে। এতে মুখে সতেজ ভাব আসে। তবে দাঁত ও মাড়ির যত্নের বিকল্প হিসেবে এলাচকে বিবেচনা করা যাবে না। নিয়মিত দাঁত ব্রাশ ও মুখের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখাই জরুরি।

রাতে কীভাবে খাবেন?

ঘুমানোর আগে এলাচ খেতে চাইলে একটি ছোট সবুজ এলাচের খোসা ছাড়িয়ে ভেতরের দানাগুলো চিবিয়ে খেতে পারেন। অল্প পরিমাণই যথেষ্ট; বেশি খাওয়ার প্রয়োজন নেই। এলাচ খাওয়ার পরিমাণ বা সময় নিয়ে সবার জন্য একই নিয়ম প্রযোজ্য নয়।

Advertisements

মনে রাখতে হবে, এলাচ একটি মসলা—কোনো ওষুধ নয়। হজমের সমস্যা, মুখের দুর্গন্ধ কিংবা ঘুমের সমস্যা নিয়মিত হলে শুধু এলাচ খেয়ে সমাধানের চেষ্টা না করে প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

Advertisements