২৯ অক্টোবর, ২০২৬ | বৃহস্পতিবারবাংলা: ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
বাংলাদেশ

ঢাকার বাতাস আজ ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’

69e96d95e4409

বিশ্বের দূষিত বায়ুর শহরগুলোর তালিকায় আজ ১১তম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৯টায় ঢাকার বায়ুমান সূচক (একিউআই) ছিল ১৪১। এই স্কোর অনুযায়ী, রাজধানীর বাতাস ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে রয়েছে।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান আইকিউ এয়ারের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্যে এ চিত্র দেখা গেছে। প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের বিভিন্ন শহরের বায়ুমানের তাৎক্ষণিক তথ্য সংগ্রহ করে এবং দূষণের মাত্রা অনুযায়ী শহরগুলোর অবস্থান নির্ধারণ করে।

আইকিউ এয়ারের তালিকা অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত বায়ুর শহর হিসেবে শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর। শহরটির বায়ুমান সূচক ২৮৭, যা ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ের মধ্যে পড়ে। ২২২ স্কোর নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি। আর ১৯৬ স্কোর নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে কিরগিজস্তানের শহর বিশকেক। বিশকেকের বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে রয়েছে।

বায়ুমান সূচক বা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) হলো বাতাসের দূষণের মাত্রা বোঝার একটি পরিমাপক। এই সূচকের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট এলাকার বাতাস মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য কতটা নিরাপদ বা ঝুঁকিপূর্ণ, সে সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। বায়ুমানের অবস্থা অনুযায়ী সাধারণ মানুষ ও সংবেদনশীল ব্যক্তিদের জন্য প্রয়োজনীয় সতর্কতাও নির্ধারণ করা হয়।

আইকিউ এয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, একিউআই স্কোর ০ থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর গুণমান ভালো হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ স্কোর হলে বাতাসের মান মাঝারি পর্যায়ে থাকে। ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরকে সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে গণ্য করা হয়। এ পর্যায়ে শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং শ্বাসকষ্ট বা হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের বায়ুদূষণের কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে পারে।

এ ছাড়া একিউআই স্কোর ১৫১ থেকে ২০০-এর মধ্যে থাকলে বাতাসকে অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচনা করা হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে তা খুব অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে পৌঁছায়। আর সূচক ৩০১-এর বেশি হলে বাতাসকে বিপজ্জনক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

Advertisements

ঢাকার বায়ুমান সূচক ১৪১ হওয়ায় সংবেদনশীল ব্যক্তিদের বাইরে চলাফেরার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। বিশেষ করে দীর্ঘ সময় ধরে বাইরে শারীরিক পরিশ্রম এড়িয়ে চলা এবং বায়ুদূষণের মাত্রা বেশি থাকলে প্রয়োজন অনুযায়ী সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

Advertisements