২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | শনিবারবাংলা: ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
বিনোদন

প্রেমিকার ভুলে ২০৯৯ সাল পর্যন্ত গাড়ি চালানোয় নিষেধাজ্ঞা আর্জেন্টাইন ফুটবলারের

579aa854d8a6950165feb06a14dd90bb-6ab796416f9fd

আর্জেন্টাইন ফুটবলার মাউরো ইকার্দির জন্য মাঠের বাইরেও তৈরি হয়েছে নতুন ঝামেলা। তুরস্কের ক্লাব গালাতাসারাইয়ের সঙ্গে চুক্তি শেষ হওয়ার পর এখনো নতুন কোনো ক্লাবে যোগ দেননি এই তারকা ফরোয়ার্ড। এর মধ্যেই গাড়ি চালানোর ঘটনায় নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েছেন তিনি।

স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘এএস’-এর প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে জানা গেছে, ইকার্দির বর্তমান প্রেমিকা লা চিনা সুয়ারেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করার পরই বিষয়টি সামনে আসে। ওই ভিডিওতে এমন কিছু দৃশ্য দেখা যায়, যেখান থেকে একাধিক ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের বিষয় কর্তৃপক্ষের নজরে আসে।

প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, চলন্ত গাড়ির জানালা দিয়ে সুয়ারেজ শরীরের বড় একটি অংশ বাইরে বের করে রেখেছেন। এ সময় তিনি সিটবেল্টও ব্যবহার করেননি। গাড়িটির স্টিয়ারিংয়ে ছিলেন ইকার্দি। পরে কর্তৃপক্ষের নজরে আসে আরও একটি বিষয়—ঘটনার সময় ইকার্দির ড্রাইভিং লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছিল।

বিষয়টি সামনে আসার পর আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েন্স আয়ার্সের সংশ্লিষ্ট পরিবহন কর্তৃপক্ষ ইকার্দির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়। আইনি নথিতে তার গাড়ি চালানোর ওপর নিষেধাজ্ঞার শেষ তারিখ হিসেবে ২০৯৯ সালের ১ জানুয়ারি উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে ২০৯৯ সালের এই তারিখ দেখে বিষয়টি যতটা গুরুতর মনে হচ্ছে, বাস্তবে ইকার্দিকে ৭৩ বছর গাড়ি চালানো থেকে বিরত থাকতে হবে—এমন নয়। সংশ্লিষ্ট আইনি প্রক্রিয়ায় এটি একটি সাময়িক বা সতর্কতামূলক নিষেধাজ্ঞা হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে। প্রতীকীভাবে এর মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ ২০৯৯ সাল পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুয়েন্স আয়ার্সে এ ধরনের ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে প্রাদেশিক আইন ১৩৯২৭ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে চালকের লাইসেন্স প্রত্যাহার করা বাধ্যতামূলক হতে পারে।

Advertisements

ইকার্দিকে আবার বৈধভাবে গাড়ি চালানোর অনুমতি পেতে হলে নির্ধারিত পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে। অর্থাৎ গাড়ি চালানোর জন্য তিনি প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ও নিরাপত্তা মানদণ্ড পূরণ করছেন—এটি প্রমাণ করার পর নতুন লাইসেন্স পাওয়ার সুযোগ থাকবে।

এ ঘটনায় ইকার্দির ব্যক্তিগত জীবনের একটি মুহূর্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ পাওয়ার পর তা শেষ পর্যন্ত সরকারি পরিবহন কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। প্রেমিকার প্রকাশ করা সেই ভিডিওই যে এ ধরনের আইনি জটিলতার সূত্রপাত করেছে, সেটিই এখন আর্জেন্টাইন এই ফুটবল তারকার জন্য আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

Advertisements