নতুন ভোটার হওয়ার সুযোগ শেষ হচ্ছে কবে?

নতুন ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ফলে যেসব যোগ্য নাগরিক এখনো ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হননি, তারা আগামী ১৫ দিনের মধ্যে আবেদন করে নতুন ভোটার হওয়ার সুযোগ পাবেন।
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে ১৮ বছর পূর্ণ করা যোগ্য নাগরিকদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এ লক্ষ্যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন গ্রহণের পাশাপাশি ভোটার তালিকা হালনাগাদের পরবর্তী কার্যক্রমও সম্পন্ন করা হবে।

এদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আগামী ১০ আগস্ট খসড়া ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর আপত্তি গ্রহণ, যাচাই-বাছাই এবং প্রয়োজনীয় সংশোধন শেষে আগামী ২৭ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন। এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা সম্প্রতি সিনিয়র সহকারী সচিব মো. রশিদ মিয়ার সই করা এক চিঠিতে জানানো হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, যেসব নাগরিকের জন্ম ২০০৮ সালের ৩১ জুলাই বা তার আগে, তারা আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে আবেদন করলে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন।
এ ছাড়া আগামী ৯ আগস্ট খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। তালিকাটি সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা এবং উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসে প্রদর্শন করা হবে, যাতে নাগরিকরা নিজেদের তথ্য যাচাই করতে পারেন।
খসড়া তালিকায় কারও নাম বাদ পড়লে অথবা নাম, ঠিকানা, বয়সসহ অন্য কোনো তথ্যে ভুল থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আগামী ২৪ আগস্ট পর্যন্ত নতুন করে নাম অন্তর্ভুক্তি কিংবা তথ্য সংশোধনের আবেদন করতে পারবেন। এসব আবেদন নিষ্পত্তির পর আগামী ৩১ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, আগামী অক্টোবর মাস থেকে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে কমিশনের। এ লক্ষ্যে আগামী আগস্টের মাঝামাঝি অথবা শেষ সপ্তাহে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে।
নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে মোট ভোটারের সংখ্যা ১২ কোটি ৮৩ লাখ ২৩ হাজার ২৪০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার রয়েছেন ৬ কোটি ৫২ লাখ ১২ হাজার ৭৩১ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯ হাজার ২৬৬ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ১ হাজার ২৪৩ জন।



