বাংলাদেশের অন্যতম নারী বিষয়ক ম্যাগাজিনমঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬
বিনোদন

শুধু হালান্ডের প্রেমিকা নন, এখন সন্তানের মাও—কে এই ইসাবেল?

IMG_2135

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড মাঠে গোল আর রেকর্ডে যতটা আলোচিত, ব্যক্তিগত জীবন ততটাই আড়ালে রাখতে পছন্দ করেন। তার দীর্ঘদিনের সঙ্গী নরওয়ের ইসাবেল হাউগসেং জোহানসেনের সঙ্গে শৈশবের বন্ধুত্বই পরে পরিণত হয়েছে প্রেমে, আর এখন তারা এক সন্তানের বাবা-মা।

নরওয়ের ব্রাইনে শহরে জন্ম ও বেড়ে ওঠা হালান্ড ও ইসাবেল ছোটবেলা থেকেই একে অপরকে চিনতেন। দুজনই স্থানীয় ক্লাব ব্রাইনে এফকের বয়সভিত্তিক দলে ফুটবল খেলেছেন। তবে কৈশোরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠেনি। ২০২১ সালের দিকে তারা সম্পর্কে জড়ান, যখন হালান্ড ইউরোপীয় ফুটবলে নিজের অবস্থান শক্ত করে ফেলেছেন।

২০২৪ সালের ডিসেম্বরে তাদের ঘরে প্রথম সন্তানের জন্ম হয়। তবে সন্তানকে জনসম্মুখে না আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এই দম্পতি। সন্তানের নাম বা ব্যক্তিগত কোনো তথ্যও প্রকাশ করেননি তারা।

ইসাবেল একসময় ফুটবল খেললেও পরে পেশাদার ক্যারিয়ার গড়ে তোলেননি। তবু ফুটবলের সঙ্গে তার সম্পর্ক অটুট। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তিনি নিয়মিত সক্রিয়। বিশ্বকাপ চলাকালে নরওয়ের ম্যাচে গ্যালারিতে হালান্ডের জার্সি পরে উপস্থিত হয়ে আলোচনায় এসেছিলেন তিনি।

Advertisements

তাদের সম্পর্কের শুরু নিয়েও এক সাক্ষাৎকারে মজার তথ্য জানিয়েছেন হালান্ড। নরওয়ের সম্প্রচারমাধ্যম এনআরকেকে তিনি বলেন, সম্পর্কের প্রথম পদক্ষেপ নিয়েছিলেন ইসাবেলই।

হালান্ডের ভাষায়, ‘সে-ই আমাকে প্রথম মেসেজ পাঠিয়েছিল। যেহেতু সে আমার পুরোনো ক্লাব ব্রাইনেতেই খেলত, তাই সে-ই আমার খোঁজ নিয়েছিল।’

ফুটবল মাঠের বাইরের জীবন নিয়েও কথা বলেছেন এই নরওয়েজিয়ান তারকা। তিনি জানান, দুজনই সাধারণ জীবনযাপন করতে ভালোবাসেন এবং অবসর সময়ে একসঙ্গে ভিডিও গেম খেলেন।

হালান্ড বলেন, ‘আমরা একসঙ্গে মাইনক্রাফট খেলি। ঘরবাড়ি বানাই এবং এভাবেই সময় কাটাই।’

বাবা হওয়ার পর জীবনে বড় পরিবর্তন এসেছে বলেও জানিয়েছেন হালান্ড। স্কাই স্পোর্টসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সন্তান হওয়ার পর বাড়িতে ফিরলে তিনি ফুটবল থেকে পুরোপুরি দূরে থাকতে পারেন এবং পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোই তার সবচেয়ে বড় আনন্দ।

Advertisements
ইসাবেলফুটবলহালান্ড