৪ অক্টোবর, ২০২৬ | রবিবারবাংলা: ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
স্পটলাইট

আজ আন্তর্জাতিক পরী দিবস

আজ আন্তর্জাতিক পরী দিবস

ছোটবেলা রূপকথার গল্প শোনেননি এমন মানুষ হয়তো খুঁজে পাওয়া যাবে না। দাদি-নানির মুখে শোনা রূপকথার গল্প, কিংবা মায়ের মুখে শোনা ঘুমপাড়ানি রূপকথার গল্প- আমাদের শৈশবকে রঙিন করে রাখে। এসব রূপকথার গল্পের একটি কাল্পনিক চরিত্র হলো পরী। আর পরী চরিত্রটি এমনভাবে বর্ণনা করা হয় যে, আমাদের সবার প্রিয় হয়ে ওঠে।

আজ ২৪ জুন, বুধবার বিশ্ব পরী দিবস। বিশ্বব্যাপী প্রতি বছরের এই দিনটিকে ‘পরী দিবস’ হিসেবে উদযাপন করা হয়।

পরী দিবসের মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষের কল্পনাশক্তিকে উদযাপন করা। পরীরা বিভিন্ন সংস্কৃতির লোককাহিনিতে ভিন্ন ভিন্ন রূপে দেখা যায়-কোথাও তারা প্রকৃতির রক্ষক, কোথাও তারা শিশুদের স্বপ্ন পূরণকারী জাদুকরী সত্তা, আবার কোথাও তারা রহস্যময় বনভূমির অধিবাসী। এই বৈচিত্র্যই পরীদের করে তুলেছে বিশ্বব্যাপী কল্পনার একটি সার্বজনীন প্রতীক।

এই দিবসটি শিশুদের জন্য যেমন আনন্দের, তেমনি বড়দের জন্যও এক ধরনের নস্টালজিয়া। ছোটবেলার গল্প, দাদি-নানির মুখে শোনা পরীর কাহিনি, কিংবা রূপকথার বইয়ের পাতায় দেখা ঝলমলে ডানা-সবকিছুই এই দিনে নতুন করে মনে পড়ে যায়। অনেকেই এই দিনটি উদযাপন করেন রূপকথার পোশাক পরে, গল্প বলা ও চিত্রাঙ্কনের মাধ্যমে, আবার কেউ কেউ শুধু কল্পনার জগতে ডুবে গিয়ে স্মৃতিচারণ করেন।

পরী দিবসের ইতিহাসও জড়িয়ে আছে ইউরোপের পুরোনো লোককাহিনি ও কল্পনার সঙ্গে। বিভিন্ন অঞ্চলে পরীর উৎপত্তি নিয়ে নানা গল্প প্রচলিত আছে। কোথাও তাদের আত্মা, কোথাও স্বর্গীয় সত্তা আবার কোথাও জাদুময় প্রাণী হিসেবে কল্পনা করা হয়েছে।

বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় গল্প ‘পিটার প্যান’-এর সঙ্গেও পরীর কাহিনি জড়িয়ে আছে। সেখানে পরীকে শৈশব, আনন্দ ও কল্পনার প্রতীক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রযুক্তির যুগে রূপকথার গল্পের চর্চা কমে গেলেও পরী এখনো শিশু ও বড়দের কল্পনার জগতে জায়গা ধরে রেখেছে।

Advertisements

এই বিশেষ দিনে অনেকেই রূপকথার বই পড়েন, পুরোনো স্মৃতি মনে করেন এবং কল্পনার সেই জাদুময় জগতের সঙ্গে আবারও কিছুটা সময় কাটান। কারণ পরী শুধু একটি কাল্পনিক চরিত্র নয়, এটি শৈশবের আনন্দ, স্বপ্ন আর নির্মল কল্পনার এক প্রতীক।

Advertisements