সাকলায়েনের জন্য খারাপ লাগছে, সাক্ষাৎকারে পরীমনি

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) এবং বর্তমানে ঝিনাইদহ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. গোলাম সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
এই সিদ্ধান্তের পর আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে চিত্রনায়িকা পরীমনিকে ঘিরে বহুল আলোচিত সেই ঘটনা এবং সাকলায়েন সম্পর্কে অভিনেত্রীর পূর্বের মন্তব্য।
এক সাক্ষাৎকারে সাকলায়েন প্রসঙ্গে খোলামেলা কথা বলেছিলেন পরীমনি। সে সময়ও তিনি দাবি করেছিলেন, সাকলায়েন ব্যক্তিগত আক্রোশের শিকার হয়েছেন। সাকলায়েনের চাকরি হারানোর বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে পরীমনি বলেছিলেন, ‘আমি বা সাকলায়েন বলার আগে তো পাবলিকই এটা নিয়ে বলছে। প্রশাসনও এটা নিয়ে বলছে। এটা কিন্তু ব্যক্তিগত পর্যায়ে এখনো আসেনি, ব্যক্তিগত পর্যায়ে যদি আসে, তখন আমি কথা বলব।’
সাকলায়েনের বিরুদ্ধে ওঠা অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ প্রসঙ্গে পরীমনি বলেন, ‘সম্পর্কের বিষয় যদি আসে, এটা তো একজনের ব্যাপার না, দুজনের পক্ষ থেকেই আসে। এখন পর্যন্তও আমাদের সম্পর্কটা তো মানুষের কাছে পরিষ্কার নয়। আমরা প্রেমে ছিলাম, নাকি কী করছি, কোনো কিছুই তো পরিষ্কার নয়। এটা না সাকলায়েনের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে, না আমার কাছে। সবখানে মনগড়া জিনিস লেখা হয়েছে।’
নিজেদের সম্পর্কের বিষয়ে সরাসরি প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যেখানে সম্পর্কটা ডিফাইন করার আগে এত অপবাদ নিয়ে ফেলছি, সেখানে এই সম্পর্কটা কী, তা নিয়ে কথা বলার জায়গাও তো জনগণ রাখেনি। আমার মনে হয় না এটার আর কোনো দরকার আছে।’
সাক্ষাৎকারে পরীমনি আরও বলেন, ‘আমার শুধু মনে হয়, সাকলায়েন ব্যক্তিগত আক্রোশের মধ্যে পড়েছে।’
কার সেই ব্যক্তিগত আক্রোশ-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি জানি না। তবে অবশ্যই ব্যক্তিগত আক্রোশ। কিন্তু এমনটা নয়, প্রেম-ভালোবাসা ও সম্পর্কের কারণে হয়েছে, তা আমি বিশ্বাস করি না।’
সাকলায়েনকে একজন মেধাবী ও সফল কর্মকর্তা হিসেবে উল্লেখ করে পরীমনি বলেছিলেন, ‘নিঃসন্দেহে সাকলায়েন একজন ট্যালেন্ট ও সফল মানুষ। ওর পেছনেও অনেকে হয়তো লেগেছিল। তার এখনকার বরখাস্ত হওয়ার ব্যাপারটা খুবই অদ্ভুত। এটা খুবই অন্যায় হয়েছে। সাকলায়েনের প্রতি নিঃসন্দেহে অন্যায় হয়েছে।’
সাক্ষাৎকারের শেষ দিকে পরীমনি বলেন, ‘তবে সাকলায়েনের জন্য খারাপ লাগছে। সে ব্যক্তিগত আক্রোশের শিকার।’



