বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার শুটার কলির

শুটার কামরুন নাহার কলির ওপর আরোপিত বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে নিয়েছে বাংলাদেশ শুটিং স্পোর্ট ফেডারেশন। তবে কলির এই ফেরা আনন্দের পাশাপাশি চ্যালেঞ্জেরও। কারণ, শুটিং ক্যাম্পে ফেরার জন্য কলিকে মানতে হবে ফেডারেশনের নানা রকম শর্ত। গতকাল শুটিং ফেডারেশনের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের জরুরি সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্তের পর আজ কলিকে বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহারের চিঠি দেওয়া হয়। ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আলেয়া ফেরদৌসের স্বাক্ষরিত সেই চিঠিতে একাধিক শর্ত উল্লেখ করা হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, ফেডারেশনের অনুমতি ছাড়া কোনো সংবাদমাধ্যম (প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক বা অনলাইন) বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেডারেশনবিরোধী বা উসকানিমূলক কোনো বক্তব্য দেওয়া যাবে না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেডারেশনের সিদ্ধান্ত, কোচ বা অন্য কোনো খেলোয়াড়কে নিয়ে বিতর্কিত বা অবমাননাকর কোনো পোস্ট করা যাবে না। এ ছাড়া যেকোনো প্রকার মিডিয়া সাক্ষাৎকার বা টক শোতে অংশ নেওয়ার কমপক্ষে ৪৮ ঘণ্টা আগে ফেডারেশন থেকে লিখিত অনুমতি নিতে হবে।
এখানেই শেষ নয়, মিডিয়াতে কোনো বক্তব্য প্রদানের ক্ষেত্রে ফেডারেশন কর্তৃক নির্ধারিত মিডিয়া সেলের গাইডলাইনও অনুসরণ করতে হবে কলিকে। গত ফেব্রুয়ারিতে ফেডারেশনের গঠনতন্ত্রের ১৬.২০ ও ১৬.২১ ধারা অনুযায়ী, শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ হন দেশের শীর্ষ এই নারী শুটার। কলিকে তিন মাস পর্যবেক্ষণ করবে ফেডারেশন। এই সময়ের মধ্যে কোনো ছোটখাটো শৃঙ্খলা ভঙ্গ হলেও সেটা স্থায়ী বহিষ্কারের কারণ হবে। পর্যবেক্ষণ সময়ের পরেও যদি ফেডারেশনের উল্লেখিত শর্ত ভাঙা হয়; সেক্ষেত্রে কারণ দর্শানোর নোটিশ ছাড়াই বহিষ্কার পুনরায় কার্যকর হবে।


