বাংলাদেশের অন্যতম নারী বিষয়ক ম্যাগাজিনরবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬
স্বাস্থ্য

শীতের শুরুতেই গলাব্যথা, শুষ্ক কাশি?

1-SM727114

শীত নামতেই গলা চুলকানো, শুষ্ক কাশি, মাথা ভারী লাগা বা বুকে অস্বস্তি। এগুলো অনেকেরই চেনা সমস্যা। ঠান্ডা ও দূষিত বাতাসে শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। ফলে গলা শুকিয়ে যায় আর কাশি বেড়ে যায়। এসব উপসর্গ কমাতে আপনার রান্নাঘরে থাকা কয়েকটি সাধারণ ভেষজই হতে পারে সহজ ও প্রাকৃতিক সমাধান।

চলুন জেনে নিই শীতের এই মৌসুমে কোন কোন ভেষজ গলা ও বুককে আরাম দিতে পারে

হলুদ – গলা ব্যথা বা বুকের জ্বালার বিরুদ্ধে হলুদ দারুন কার্যকর। এতে রয়েছে প্রদাহ কমানোর এবং জীবাণুনাশক বৈশিষ্ট্য যা দূষিত বাতাসে সৃষ্ট গলার জ্বালা প্রশমিত করে। উষ্ণ হলুদ পানি বা হলুদ মিশ্রিত দুধ গলায় একটি আরামদায়ক আবরণ তৈরি করে, শুষ্কতা কমায় এবং আরাম দেয়। নিয়মিত হলে কফও কমে।

আদা – আদা গরম প্রকৃতির একটি ভেষজ। এটি গলা ব্যথা, কাশি ও বুকের চাপ কমাতে খুবই কার্যকর। এটি শ্বাসনালীর প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে এবং জমে থাকা শ্লেষ্মা পরিষ্কার করে। আদার চা পান করতে পারেন, কিংবা মধু দিয়ে ছোট একটা কাঁচা আদার টুকরো চিবিয়ে খেলে তাৎক্ষণিক উষ্ণতা ও স্বস্তি পাওয়া যায়।

তুলসিপাতা – শীতের সময় তুলসি একটি জনপ্রিয় ভেষজ। এর অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল এবং ডিটক্সিফাইং গুণ গলার অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করে। তুলসি চা বা তুলসিপাতা ভেজানো পানি শুষ্ক কাশি কমায়, কফ পরিষ্কার করে এবং শ্বাস নিতে আরাম দেয়। নিয়মিত খেলে শরীরও ভিতর থেকে পরিষ্কার থাকে।

গোল মরিচ – গোল মরিচ শ্লেষ্মা পরিষ্কার করতে দারুণ কাজ করে। এতে থাকা পিপারিন নামক উপাদান বায়ুপথ খুলে দেয়। ফলে শ্বাস-প্রশ্বাস সহজ হয়। স্যুপ বা গরম পানিতে একটু চূর্ণ গোল মরিচ ও মধু মিশিয়ে খেলেই গলার অস্বস্তি অনেকটাই কমে যায়। বাইরে থেকে দূষিত বাতাসে থাকার পর এটি বুকের চাপ কমাতেও সাহায্য করে।

শীতের শুরুতে এই সহজ ভেষজগুলো নিয়মিত খেলে গলাব্যথা, শুষ্ক কাশি বা বুকের অস্বস্তি অনেকটাই কমে যেতে পারে। তবে উপসর্গ দীর্ঘস্থায়ী হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Advertisements