বাংলাদেশের অন্যতম নারী বিষয়ক ম্যাগাজিনমঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬
নারী

খাগড়াছড়িতে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণে জড়িতদের গ্রে/প্তার ও শা/স্তির দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ

WhatsApp Image 2025-10-01 at 16.55.14_711dc434

খাগড়াছড়িতে স্কুলছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে গতকাল মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন আন্দোলনের উদ্যোগে প্রতিবাদ সমাবেশ হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন আন্দোলনের যুগ্ম সমন্বয়কারী জাকির হোসেন ও সঞ্চালনা করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির কেন্দ্রীয় সদস্য দীপায়ন খীসা। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশিদ ফিরোজ, এ এল আরডির নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা, পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন আন্দোলনের যুগ্ম সমন্বয়কারী অধ্যাপক ড. খায়রুল ইসলাম চৌধুরী,  বাংলাদেশ মারমা স্টুডেন্টস কাউন্সিল (বিএমএসসি) ঢাকা মহানগর শাখার সভাপতি নুমংপ্রু মারমাসহ আরও অনেকে।

সমাবেশে বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, ‘গত ৫৪ বছর ধরে পার্বত্য চট্টগ্রামে জাতি বিদ্বেষী ও জাতি নিধন প্রক্রিয়া চলছে। সকল সরকার এর জন্য দায়ী। পার্বত্য চট্টগ্রাম বাংলাদেশের মধ্যে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার মতো। গণতন্ত্রের চেতনা, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠনের চেতনাকে বাস্তবায়ন করার জন্য আমরা সবাই এগিয়ে যাবো।’

শামসুল হুদা বলেন, ‘খাগড়াছড়ির সাম্প্রদায়িক হামলায় সরকারের ভূমিকা নিয়ে আমরা দুঃখ পেয়েছি, আমরা ক্ষুব্ধ। আদিবাসীদের ওপর নির্যাতনের বিচার কখনও হয় না, তদন্ত হয় না। আমরা এই বিচারহীনতার অবসান দেখতে চাই।’

নুমংপ্রু মারমা বলেন, ‘খাগড়াছড়িতে চলমান সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনার দায় বাংলাদেশের সরকার ও প্রশাসনকে নিতে হবে। হামলার সঙ্গে জড়িত সকলকে চিহ্নিত করে আইনে আওতায় আনতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত সকল আদিবাসীদেরকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হবে।’

সমাবেশে ড. খায়রুল চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশে যদি গণতন্ত্র দরকার হয়, তাহলে পার্বত্য চট্টগ্রামেও গণতন্ত্র দরকার। ১৯৯৭ সালে পার্বত্য চট্টগ্রাম চু্ক্তি হওয়ার মাধ্যমে জনগণের মনে যে আশা-বিশ্বাস ফিরে এসেছিল, গত ২৬ বছরে চু্ক্তি বাস্তবায়ন না করার মধ্য দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে সহিংসতা, সামরিক শাসন, ভূমি সমস্যা সহ সেখানকার মানুষের জীবনকে দূর্বিষহ করা হয়েছে।’