প্রান্তিক জনগোষ্ঠী প্রায়ই ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত

প্রান্তিক জনগোষ্ঠী বিভিন্ন কারণে প্রায়ই ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হন যেমন- সামাজিক বাধা, সচেতনতার অভাব এবং সীমিত সুযোগ-সুবিধার কারণে তারা বঞ্চিত হচ্ছে, বিশেষ করে নারীরা।
গতকাল রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘গ্রামীণ নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য জেন্ডার-সংবেদনশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক গ্রাম আদালতের সেবা প্রচারের গুরুত্ব’ শীর্ষক একটি গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বক্তারা এসব কথা বলেন। তাঁরা বলেন, নারীরা তাঁদের নিজেদের অধিকার সম্পর্কে বলতেও গ্রাম আদালতে যেতে দ্বিধাবোধ করেন।
গোলটেবিল বৈঠকে গ্রাম আদালতের কার্যক্রমের ওপর একটা প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মমতাজ আহমেদ। অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. রেজাউল মাকসুদ জাহেদী। প্রকল্প পরিচিতি ও শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন ‘বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ– তৃতীয় পর্যায়’ প্রকল্পের সমন্বয়ক বিভাষ চক্রবর্তী।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ওই প্রকল্পের জেন্ডার অ্যানালিস্ট শামিমা আক্তার শাম্মী। আলোচনার সারসংক্ষেপ ও সুপারিশ উপস্থাপন করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ও প্রকল্প পরিচালক সুরাইয়া আখতার জাহান।
এ ছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় মহিলা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক শাহানা সারমিন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোছাম্মৎ হাজেরা খাতুন এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ড. প্রকাশ কান্তি চৌধুরী প্রমুখ।
তাঁরা বলেন, প্রতিটি গ্রাম্য আদালতে নারীদের অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। ফলে প্রকল্পের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। গ্রামাঞ্চলে বিশেষ করে নারী এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ন্যায়বিচার যেন পায় এবং গ্রামীণ জনগোষ্ঠীকে আইনি সহায়তা দেওয়া- প্রকল্পের উদ্দেশ্য। এছাড়া আরও বলেন, গ্রাম আদালতে হওয়া ৭৮ শতাংশই মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। গড়ে ১৮ দিনে একটি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। এবং খরচ হয়েছে গড়ে ৩২৮ টাকা। সারাদেশে ১০ লাখের বেশি মানুষের কাছে এ সেবা পৌঁছে গেছে।



