বাংলাদেশের অন্যতম নারী বিষয়ক ম্যাগাজিনবুধবার, ২০ মে, ২০২৬
নারী

আমি লড়াই করে টিকে আছি, আপনাদের জন্যও লড়াই করতে চাই: ডাকসু প্রার্থী সীমা

sima

ছোট থেকে বড় হওয়া বস্তিতে। সেখান থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত আসা মোটেও সহজ ছিল না। বাবা চা দোকানদার, মা ছিলেন একজন গার্মেন্টস কর্মী। স্কুলের দুইজন শিক্ষকদের সহয়তায় বাসা থেকে দূরে একটি স্কুলে ভর্তি হন। স্কুল-কলেজের গন্ডি পেরিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন। সেখানেও লড়াই করে টিকে আছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে এখন পর্যন্ত লড়াই করে যাচ্ছেন ডাকসু প্রার্থী সীমা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদে (ডাকসু) সমাজসেবা সম্পাদক পদে লড়ছেন সীমা আক্তার। তিনি বলেন, ‘সেসময় যদি আমার দুইজন শিক্ষকের সহায়তা না পেতাম তাহলে হয়তো আমি এতদূর আসতে পারতাম না। আমার এলাকার আশেপাশে মেয়েদের মতো হয়তো শ্রমিক বা গার্মেন্টসে কাজ করতে হতো।’

বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন পর্যন্ত গনতান্ত্রিক পরিবেশ না থাকায় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা লেগেই আছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এখনও শিক্ষার্থীদের অনেক দাবি মেনে নেন না। আর নিলেও সে অনুয়ায়ী কাজ করেন না। যেসব জায়গায় এখনও কাজ করা হয় নি ডাকসুর মাধ্যমেই সম্ভব সেসব জায়গায় শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করা। শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করা- এমনটাই বলছিলেন সীমা আক্তার।

সীমা বলেন, আমার মতো যারা প্রান্তিক এলাকা থেকে আসে বিশ্ববিদ্যালয়ে তারা প্রথমে এসেই মাথা গুঁজানোর মতো জায়গা পায় না। অনেক লড়াই করতে হয় তাদের। আমি চাই তার যেন বৈধ সিট পায় এবং সে লক্ষ্যে কাজ করবো।

তিনি আরও বলেন, ‘একটা শিক্ষা তহবিল গঠন করতে চাই যেন তাঁদের সহায়তা করতে পারি। এতদিন আমি যেমন লড়াই করে আসছি এখন আপনাদের জন্যও লড়াই করে যেতে চাই।’